✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

রাজধানীর বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়ার তথ্য হালনাগাদের আহ্বান ডিএমপির

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-২৭, | ১১:৩৮:৪৮ |

রাজধানীর নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশি সেবা আরও কার্যকর করতে ‘সিটিজেন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিআইএমএস)’-এ বাড়িওয়ালা, ভাড়াটিয়া ও মেস সদস্যদের তথ্য নিবন্ধন ও হালনাগাদের আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। 

বর্তমানে সিআইএমএস ডাটাবেজে প্রায় ৩৬ লাখ ৭৩ হাজার ২৩৮টি পরিবারের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে এবং এতে ৫০ লাখের বেশি নাগরিকের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে।

ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) নিয়াজ মেহেদী জানান, ২০১৬ সালে রমনা থানা থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রম ২০১৭ সালে রাজধানীর সব থানায় সম্প্রসারিত হয় এবং ২০১৯ সালে চালু হয় সিআইএমএস মোবাইল অ্যাপ। 

তিনি বলেন, হালনাগাদ তথ্য বিট পুলিশিং, অপরাধ প্রতিরোধ, তদন্ত, হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তি শনাক্ত, সন্দেহভাজনের পরিচয় যাচাই এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ডিএমপি জানায়, রাজধানীর প্রতিটি থানা ও পুলিশ ফাঁড়িতে সিআইএমএস নিবন্ধন ফরম পাওয়া যায়। ঠিকানা পরিবর্তন হলে নতুন এলাকার থানায় পুনরায় নিবন্ধন করতে হবে। বাড়িওয়ালারা এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ভাড়াটিয়ার পরিচয় নিশ্চিত করতে পারবেন, ফলে অপরাধী বা প্রতারকদের আশ্রয়ের সুযোগ কমবে। একই সঙ্গে ভাড়াটিয়ারাও প্রয়োজন হলে দ্রুত পুলিশি সহায়তা পাবেন। 

নিয়াজ মেহেদী আরও বলেন, ‘সিআইএমএস’ ডাটাবেজ অপরাধ তদন্তেও কার্যকর ভূমিকা রাখছে। নিবন্ধিত তথ্যের মাধ্যমে পলাতক অপরাধী শনাক্ত, সন্দেহভাজন ব্যক্তির তথ্য যাচাই এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এতে বিট পুলিশিং আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং জনগণ ও পুলিশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..