✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-০৮, | ১৪:১৬:২৭ |গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। কিন্তু এক মাস না যেতেই ছোট ছোট হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গতকাল রাতে ইরানের প্রায় ৮০টি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫টি স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। বিশেষজ্ঞরা এটিকে উত্তেজনার বড় বৃদ্ধি হিসেবে দেখছেন।
ইরানের তেহরান থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, রাতে মার্কিন বাহিনী ইরানের অন্তত তিনটি শহরে হামলা করেছে। এর মধ্যে কেশম দ্বীপে ৭টি এবং হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন সিরিক শহরে ৬টি জায়গায় আঘাত হানা হয়েছে। বন্দর আব্বাসে টেলিযোগাযোগ টাওয়ারসহ ১০টি স্থাপনায় হামলা হয়েছে। এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর ইরানি সামরিক স্থাপনায় এটিই সবচেয়ে বড় মার্কিন হামলা।
ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এই হামলাকে চুক্তির ‘বড় লঙ্ঘন’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, আমেরিকা হরমুজ প্রণালিতে হস্তক্ষেপ করছে, তেলের ওপর ফের নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে এবং ইসরায়েল লেবাননে চুক্তি ভাঙছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জোর খাটানোর যুগ শেষ হয়ে গেছে। এসব চাপে কোনো লাভ হবে না।
অন্যদিকে, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা বাহরাইনের সালমান বন্দরে মার্কিন পঞ্চম নৌবহর এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমান ঘাঁটিতে হামলা করেছে। এছাড়া দক্ষিণ ইরানে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ (MQ-9) ড্রোনও ভূপাতিত করেছে তারা।
এদিকে, ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুট্টে মার্কিন হামলাকে সমর্থন করেছেন। তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনের আগে তিনি বলেন, ইরান চুক্তি ভাঙায় যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর হামলা ‘অত্যন্ত জরুরি’ ছিল।