✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

রাত ১২টার পর খাবার খেলে শরীরে যা ঘটে!

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-২৫, | ১৭:৫৯:২০ |
রাত ১২টার পর খাবার খাওয়া অনেকের অভ্যাস হলেও এটি শরীরের ওপর নানা ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে নিয়মিত দেরি করে খেলে হজম, ঘুম ও বিপাকক্রিয়ায় সমস্যা দেখা দিতে পারে।

দেখে নিন রাত ১২টার পর খাবার খেলে যা ঘটে শরীরে-
১. হজমে সমস্যা বাড়ে: রাতে শরীরের হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। এ সময় ভারী বা তৈলাক্ত খাবার খেলে বদহজম, গ্যাস, বুকজ্বালা ও অ্যাসিডিটির ঝুঁকি বাড়ে।

২. ওজন বৃদ্ধি হতে পারে: দেরি করে খেলে শরীর খাবার থেকে পাওয়া ক্যালোরি দ্রুত পোড়াতে পারে না। ফলে অতিরিক্ত ক্যালোরি চর্বি হিসেবে জমে যেতে পারে, যা ধীরে ধীরে ওজন বাড়ায়।

৩. ঘুমের মান নষ্ট হয়: খাওয়ার পরপর ঘুমালে শরীর বিশ্রামের বদলে খাবার হজমে ব্যস্ত থাকে। এতে গভীর ঘুম ব্যাহত হতে পারে এবং সকালে ক্লান্ত লাগতে পারে।

৪. রক্তে শর্করার ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে: রাতে দেরি করে অতিরিক্ত খাবার খেলে রক্তে গ্লুকোজের ওঠানামা বাড়তে পারে। দীর্ঘদিন এমন অভ্যাস থাকলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

৫. হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে: গবেষণায় দেখা গেছে, অনিয়মিত সময় খাওয়া ও গভীর রাতে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ হৃদ্‌স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

৬. সকালে ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়: রাতে বেশি খেলে সকালে স্বাভাবিক ক্ষুধা কমে যায়। এতে সকালের নাশতা বাদ পড়ার প্রবণতা তৈরি হয়, যা শরীরের জন্য ভালো নয়।

যদি রাত জাগতেই হয়, তাহলে কী খাবেন?
রাত জাগার সময় খুব ক্ষুধা লাগলে হালকা খাবার বেছে নেয়া ভালো। যেমন—
ফল, দই, বাদাম, ওটস, হালকা স্যুপ

যেগুলো এড়িয়ে চলবেন-
ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত মিষ্টি, কোমল পানীয়, অতিরিক্ত চা-কফি, ফাস্টফুড

সুস্থ থাকার পরামর্শ
ঘুমানোর অন্তত ২–৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করার চেষ্টা করুন। নিয়মিত নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ার অভ্যাস শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..