২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত মেগা বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসের ৫৫তম এবং বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদের প্রথম বাজেট। এবারের বাজেটে ভ্যাটের জাল বিস্তার করতে সরকার নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ব্যবসায় শনাক্তকরণ সংখ্যা বা বিআইএন উপস্থাপন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব থাকছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই ঐতিহাসিক বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর এটিই প্রথম বাজেট উপস্থাপন।
বাজেটে ভ্যাটের জাল বিস্তার করতে সরকার নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ব্যবসায় শনাক্তকরণ সংখ্যা বা বিন উপস্থাপন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব রাখছে। এর মধ্যে রয়েছে– যেকোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব বা এসটিডি হিসাব খোলা ও পরিচালনা, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন এবং আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক হিসেবে নিবন্ধন, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা, বাণিজ্যিক সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ বা নবায়ন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণ এবং বিআরটিএ থেকে বাণিজ্যিক যানবাহনের নিবন্ধন গ্রহণ।
আরও জানা গেছে, সাধারণ ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে টিআইএন দাখিল বাধ্যতামূলক করা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কাছে পণ্য সরবরাহের ওপর শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ অগ্রিম কর সংগ্রহের মাধ্যমে পুরো সরবরাহ শৃঙ্খলকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেন্ট্রাল ডেটা ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে এনবিআরের তথ্যভান্ডারকে জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক, ইউটিলিটি সেবা, ভূমি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত করা হচ্ছে। অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় এসব বিষয়ে ঘোষণা থাকছে।
এ জাতীয় আরো খবর..