বাজেটে আধুনিক গণপরিবহনসহ যোগাযোগ অবকাঠামোতে যা থাকছে

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-১১, | ১৬:৫১:৪২ |
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এবার প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট। এটি বিএনপি সরকারের ১৭ তম এবং অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট।  

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৩টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে এ বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। 

এবারের বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য যোগাযোগ অবকাঠামোতে কিছু প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে।  

প্রস্তাবগুলো হলো-
দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ‘সেফটি সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ ভিত্তিক বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পের কার্যক্রম পুনরায় চালু। 
রিং রোড ও রেডিয়াল রোড নির্মাণের মাধ্যমে ঢাকার যানজট নিরসন।  
৬টি মেট্রোরেল লাইনের সমন্বয়ে আধুনিক গণপরিবহন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং মেট্রোরেলের সঙ্গে সংযুক্ত মনোরেলভিত্তিক ফিডার নেটওয়ার্ক নির্মাণ।
পুরোনো বাস পর্যায়ক্রমে ইলেকট্রিক বাস দ্বারা প্রতিস্থাপন।   
দ্বিতীয় যমুনা সেতু, তৃতীয় মেঘনা সেতু ও ঢাকা-চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ। 
ইলেকট্রনিক টোল ও স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালুর উদ্যোগ গ্রহণ। 
ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ঢাকা-কুমল্লা অংশে কর্ডলাইন নির্মাণ করা হবে, যার ফলে এ পথের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমে আসবে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলওয়ে করিডোর প্রতিষ্ঠা এবং চট্টগ্রামকে লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলা।
কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুরকে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি আধুনিক উড়োজাহাজ ক্রয়ের লক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষর।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল শীঘ্রই চালুর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রায় ৯৪ হাজার বর্গমিটার জায়গাজুড়ে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক বিস্তৃতকরণ।
সরকারের লক্ষ্য বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’র পথে এগিয়ে নেওয়া।  

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..