সরকারি ছুটি শেষে নিয়মিত আদালতের কাজ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ঢাকার অধস্তন আদালত ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। এদিন সকাল থেকে বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের জটলা দেখা যায়। তবে বিচারক ও কর্মকর্তাদের অনেকেই ছিলেন ছুটিতে।
আইনজীবী ও আদালতের স্টাফদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এদিন জামিনসহ গুরুত্বপূর্ণ দরখাস্তসমূহের শুনানি হয়েছে। হাজিরা ও সময় আবেদনসমূহ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শুনানি ছাড়াই মঞ্জুর হয়েছে।
সিএমএম আদালত ঘুরে দেখা যায়, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান ছুটি শেষে বিচার কাজে অংশ নিয়েছেন। তবে এই আদালতের অনেক বিচারক রয়েছেন ছুটিতে।
যারা ছুটি শেষে এসেছেন, তারাই বাড়তি দায়িত্ব পালন করছেন।
সিএমএম আদালতের প্রশাসনিক শাখা ও নেজারত শাখায়ও একই অবস্থা দেখা যায়। এই আদালতের নাজির, প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ অনেকেই আছেন ছুটিতে।
সিএমএম আদালতের নাজির আজমল হোসেন জানান, আদালতে তুলনামূলক মামলা সংখ্যা কম। আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীও কম দেখা যাচ্ছে।
জানতে চাইলে সিএমএম আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. মিছবাহ উদ্দিন মনির বলেন, ছুটি শেষে অনেকে এসেছেন আবার অনেকে আগামী সপ্তাহ থেকে আসবেন। বিশেষ করে যারা ঢাকার বাইরে ঈদ করতে গেছেন তাদের অনেকে এখনও ঢাকায় ফিরেননি। আগামী সপ্তাহে হয়তো পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে।
ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলাম, মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজ ছুটি শেষে বিচারকাজে অংশ নেন।
তবে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারক হওয়ার পর নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক পদায়িত হননি। এসব আদালতের অন্য অনেক আদালতের বিচারকরা ছুটিতে ছিলেন। অন্যান্য আদালত ও ট্রাইব্যুনালসমূহে অবশ্য অনেক বিচারকই অফিস খোলার প্রথম দিনেই বিচারকাজে অংশ নেন। তবে এসব আদালতেও বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীর সংখ্যা কম ছিল।
মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এইচ এম মাসুম বলেন, মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আজ বিচার কাজে অংশ নিয়েছেন। আইনজীবীদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল। আগামীকাল তিনি এজলাস করবেন না বলে জানা গেছে। উপস্থিতি স্বাভাবিক হতে আগামী সপ্তাহ লাগবে।
এ জাতীয় আরো খবর..