রমজান শেষ হওয়ার আগে যে কাজগুলো করা জরুরি

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-১৭, | ১৪:৩৭:৩৫ |
পবিত্র মাহে রমজান আমাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছে। ইবাদত-বন্দেগির এই মাসটি শেষ করার সর্বোত্তম উপায় হলো মহান আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা করা। কারণ, ইস্তিগফারের মাধ্যমে যেকোনো ভালো কাজের সমাপ্তি আমাদের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে।

রমজানের এই শেষ দিনগুলোতে করণীয় তুলে ধরা হলো—

ক্ষমা প্রার্থনা বা ইস্তিগফার

নামাজ শেষ করে আমরা যেমন তিনবার ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ পড়ি কিংবা হজ শেষ করি তওবা ও ইস্তিগফারের মাধ্যমে, ঠিক তেমনি রমজানও শেষ করা উচিত ক্ষমা প্রার্থনার মধ্য দিয়ে। কারণ, মানুষ হিসেবে আমাদের ইবাদতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকতে পারে। রোজা রেখে আমরা হয়তো কোনোদিন রেগে গিয়েছি, অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু দেখে ফেলেছি কিংবা মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছি। এই সব ছোটখাটো ভুল সংশোধনের জন্যই রমজানের শেষ মুহূর্তে আল্লাহর দরবারে বেশি বেশি কান্নাকাটি করা প্রয়োজন।

সদকাতুল ফিতর আদায়

ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, সদকাতুল ফিতর হলো এক ধরনের ইস্তিগফার। নামাজে ভুল হলে যেমন ‘সাহু সেজদা’ দিয়ে তা পূর্ণতা দেওয়া হয়, তেমনি রোজার ভুলত্রুটি দূর করতে সদকাতুল ফিতর আদায় করা জরুরি। এটি আমাদের অনর্থক কথা বা ভুল কাজের গুনাহ থেকে পবিত্র করে। তাই ইস্তিগফারের পাশাপাশি দ্রুত ফিতরা আদায় নিশ্চিত করতে হবে।


সময়ের সঠিক মূল্যায়ন

রমজান শুরুর দিনটির কথা ভাবুন। মনে হচ্ছে না যেন এই তো সেদিনের কথা? চোখের পলকেই ৩০টি দিন পেরিয়ে গেল। সময় এতটাই দ্রুতগতিতে চলে যায় যে একে কেউ ধরে রাখতে পারে না। রমজানের এই ক্ষণস্থায়ী রূপ আমাদের জীবনের নশ্বরতাকেই স্মরণ করিয়ে দেয়। রমজান শেষ হচ্ছে আমরা জানি, কিন্তু আমাদের জীবন কবে শেষ হবে তা আমরা জানি না। তাই সময়ের এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে আল্লাহর সঙ্গে সব সময়ের জন্য একটি মজবুত সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত।

সবশেষে মনে রাখা প্রয়োজন, শুধু ইবাদত করাই বড় কথা নয়, বরং সেই ইবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়াটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই এখন থেকেই কায়মনোবাক্যে দোয়া করুন,‘হে আল্লাহ, আমাদের রোজা কবুল করো, আমাদের দান-সদকা কবুল করো।’

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..