অনেকেই প্রতিদিন সকালে কাঁচা হলুদ খান। কেউ আবার হলুদের গুঁড়া খান। পেটের সমস্যা দূর করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলুদের জুড়ি নেই। অনেকেরই অভিযোগ হলুদ খাওয়ার পরেও উপকারিতা পাচ্ছেন না। সেক্ষেত্রে কীভাবে হলুদ খাওয়া উপকারী হবে?
কারকিউমিনে ভরপুর হলুদ
হলুদের মধ্যে কারকিউমিন যৌগ রয়েছে, যার মধ্যে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান আছে। বিপাক ক্রিয়া উন্নত করতে সাহায্য করে হলুদ। তবে সঠিক উপায়ে হলুদ না খেলে কোনও উপকারিতা পাওয়া যায় না। হলুদে যে পরিমাণ কারকিউমিন রয়েছে, যার মাত্র ১ শতাংশ আমাদের শরীর শোষণ করতে পারে। তাই উপকারিতাও মেলে না ঠিক ভাবে।
শুধু হলুদ খেলে গুণ মিলবে না
অনেকেরই হওয়া জানা নেই, কাঁচা হলুদ খান বা গুঁড়ো হলুদ, তার সঙ্গে গোলমরিচ খাওয়া জরুরি। গোলমরিচের মধ্যে পাইপেরিন নামের একটি যৌগ রয়েছে। এই যৌগটি কারকিউমিন শোষণের ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ভারতীয় পুষ্টিবিদ ডা. পূজা রেড্ডি তার ইনস্টাগ্রামে জানিয়েছেন, হলুদের সঙ্গে গোলমরিচ খেলে হলুদের কার্যকারিতা বাড়ে। গোলমরিচ কারকিউমিন শোষণের ক্ষমতা প্রায় ২ হাজার গুণ বাড়িয়ে দেয়।
ফ্যাটও রাখতে পারেন হলুদের সঙ্গে
কারকিউমিন ফ্যাট দ্রবণীয়। পানির বদলে ফ্যাটজাতীয় উপাদানের সঙ্গে তাড়াতাড়ি মিশে যায়। তাই হলুদের সঙ্গে ঘি খেতে পারেন। এটিও হলুদের মতোই স্বাস্থ্যকর।
কী ভাবে খাবেন
পুষ্টিবিদ ডা. পূজা রেডিড হলুদ, গোলমরিচ ও ঘি একসঙ্গে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি জানান, এই তিনটি উপাদান স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এই তিনের এই সংমিশ্রণ প্রদাহের সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করে। এক চামচ ঘিয়ের সঙ্গে এক চিমটে হলুদ গুঁড়ো ও গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন।
এ জাতীয় আরো খবর..