ইরানে হামলা হলে তা আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নেবে : খামেনি

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-০১, | ১৯:৩৯:৩৪ |
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি রবিবার বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা চালায়, তবে তা আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নেবে।’ ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু চুক্তিতে সম্মত না হলে অথবা বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ না করলে ইরানে হস্তক্ষেপের হুমকি বারবার দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাদের নৌ উপস্থিতি আরো জোরদার করেছে।

খামেনি বলেন, ‘(ট্রাম্প) নিয়মিত বলেন যে তিনি জাহাজ এনেছেন… এসব দিয়ে ইরানি জাতিকে ভয় দেখানো যাবে না। ইরানি জনগণ এসব হুমকিতে বিচলিত হবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা কোনো দেশের ওপর হামলার উদ্যোগ নিই না এবং তা চাইও না। কিন্তু যে কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালাবে বা হয়রানি করবে, তার বিরুদ্ধে ইরানি জাতি কঠোর আঘাত হানবে।’

উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই তেহরান ও ওয়াশিংটন উভয় পক্ষই চুক্তিতে পৌঁছতে সম্ভাব্য আলোচনা পুনরায় শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছে।


তেহরান জানিয়েছে, তারা ‘ন্যায্য’ আলোচনার জন্য প্রস্তুত, যা তাদের প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা সীমিত করার উদ্দেশ্যে নয়।

সাংবাদিকদের ট্রাম্প শনিবার বলেন, ইরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে ‘গুরুত্বপূর্ণভাবে কথা বলছে’। এর কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে জানান, আলোচনার আয়োজন প্রক্রিয়াধীন।

ট্রাম্প আরো বলেন, ‘আমি আশা করি, তারা গ্রহণযোগ্য কিছুতে আলোচনা করবে। এমন একটি আলোচনার মাধ্যমে চুক্তি করা সম্ভব, যা সন্তোষজনক হবে এবং যেখানে কোনো পরমাণু অস্ত্র থাকবে না।’

বর্তমানে এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ছয়টি ডেস্ট্রয়ার, একটি বিমানবাহী রণতরি এবং তিনটি লিটোরাল কমব্যাট শিপ মোতায়েন রয়েছে।

গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে অর্থনৈতিক দুরবস্থার প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভগুলো পরে ১৯৭৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে সবচেয়ে তীব্র রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জে রূপ নেয়। তবে দমন-পীড়নের পর এখন এই বিক্ষোভ স্তিমিত হয়ে এসেছে।

সরকারি হিসাবে অস্থিরতা-সংক্রান্ত মৃত্যুর সংখ্যা তিন হাজার ১১৭ জন।

তবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএ রবিবার জানিয়েছে, তারা এখন পর্যন্ত ছয় হাজার ৭১৩ জনের মৃত্যুর তথ্য যাচাই করেছে। 
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, খামেনি এই বিক্ষোভগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমর্থিত একটি ‘অভ্যুত্থান’-এর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, এই ‘অশান্তির’ লক্ষ্য ছিল দেশ পরিচালনাকারী কেন্দ্রগুলোর ওপর আঘাত হানা।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..

Dhaka Forecast & Prayer Schedule

--°C
Loading...
💧 Humidity
--%
🌬 Wind
-- km/h

3-Day Forecast

Prayer Time

🕌 Fajr 🕌 Dhuhr
-- --
🕌 Asr 🕌 Maghrib
-- --
🕌 Isha
--
Loading countdown…
দেশ ও মুদ্রা ১ ইউনিট = টাকা পরিবর্তন
⏳ Currency data loading...