ইসরায়েলের কাছে ৬.৬ বিলিয়ন ডলারের আক্রমণাত্মক অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০১-৩১, | ১১:২৪:২৬ |
গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির মধ্যে ইসরায়েলের কাছে ৬.৬৭ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে ওয়াশিংটন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর শুক্রবার জানিয়েছে, ইসরায়েলকে ৩.৮ বিলিয়ন ডলারে ৩০টি অ্যাপাচি আক্রমণাত্মক হেলিকপ্টার এবং ১.৯৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পদাতিক আক্রমণকারী যানসহ মার্কিন তৈরি অস্ত্র কিনতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

রয়টার্স সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, বোয়িং এবং লকহিড মার্টিন কর্তৃক ইসরায়েলের কাছে অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিক্রি করা হবে। রয়টার্সের মতে, তৃতীয় সামরিক চুক্তিটি ৭৪০ মিলিয়ন ডলারে সম্পন্ন হয়েছে এবং হালকা ইউটিলিটি হেলিকপ্টার তৈরিতে আরো ১৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হবে।


ইসরায়েলি বাহিনী অধিকৃত পশ্চিম তীর এবং গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালানোর জন্য ব্যাপকভাবে অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ব্যবহার করেছে।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মার্কিন জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য ইসরায়েলকে একটি শক্তিশালী ও প্রস্তুত আত্মরক্ষামূলক সক্ষমতা গড়ে তুলতে এবং তা বজায় রাখতে সহায়তা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ বিভাগটি আরো জানায়, ‘এই প্রস্তাবিত বিক্রয় সেই লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর ইসরায়েলে বিলিয়ন ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম পাঠায়। এসব অস্ত্রের বেশিরভাগই বিক্রির পরিবর্তে সহায়তা হিসেবে প্রদান করা হয়। মানবাধিকার সংগঠন এবং জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা ধারাবাহিকভাবে ইসরায়েলে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছেন। তাদের মতে, এসব অস্ত্র গাজায় গণহত্যামূলক যুদ্ধ চালানোর ক্ষেত্রে ইসরায়েলের সক্ষমতাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।


২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি বাহিনী যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের ওপর আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে, যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি সত্ত্বেও প্রায় ৫০০ জন নিহত হয়েছে।

শুক্রবার পররাষ্ট্র দপ্তর আরো জানিয়েছে, তারা সৌদি আরবের কাছে ৭৩০টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে।

পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ‘এই বর্ধিত ক্ষমতা সৌদি আরব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং স্থানীয় মিত্রদের স্থল বাহিনীকে রক্ষা করবে এবং এই অঞ্চলে সমন্বিত বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সৌদি আরবের অবদান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করবে।’ 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন বলেছেন, ইরানের কাছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের একটি বিশাল যুদ্ধজাহাজের বহর পাঠানো হয়েছে। ঠিক এমন সময়ে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রি করা হলো।


সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এই সপ্তাহের শুরুতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে এক ফোনালাপে বলেছিলেন, ‘সৌদি আরব ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপ বা কোনো পক্ষের আক্রমণের জন্য তার আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না।’

সূত্র : আলজাজিরা। 

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..

Dhaka Forecast & Prayer Schedule

--°C
Loading...
💧 Humidity
--%
🌬 Wind
-- km/h

3-Day Forecast

Prayer Time

🕌 Fajr 🕌 Dhuhr
-- --
🕌 Asr 🕌 Maghrib
-- --
🕌 Isha
--
Loading countdown…
দেশ ও মুদ্রা ১ ইউনিট = টাকা পরিবর্তন
⏳ Currency data loading...