শবে বরাতে বিশেষ নামাজ ও রোজার বিধান

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০১-২৯, | ২০:২৫:২১ |
শাবান মাসের ১৫ তারিখকে কেন্দ্র করে অনেক মুসলমান বিশেষ নামাজ, নফল রোজা ও অতিরিক্ত ইবাদতে মনোযোগী হন। এ নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন আছে যে, এমন আমল বা ইবাদত ইসলামে সমর্থনযোগ্য কিনা? 

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পক্ষ থেকে সহিহ সূত্রে শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাত বা দিনে বিশেষ কোনো নামাজ, রোজা বা নির্দিষ্ট ইবাদত করার নির্দেশনা প্রমাণিত নয়। অনেক এলাকায় যেভাবে শবে বরাতকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট আমলকে সুন্নত বা বিশেষ ফজিলতপূর্ণ হিসেবে প্রচার করা হয়, তার পক্ষে শক্ত দলিল পাওয়া যায় না।

তবে শাবান মাসে সামগ্রিকভাবে বেশি বেশি নফল রোজা রাখার বিষয়টি সহিহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। সহিহ বুখারিতে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ শাবান মাসের অধিকাংশ দিন রোজা রাখতেন।

হজরত উসামা ইবনে জায়েদ (রা.) একবার রাসুলকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তিনি শাবান মাসে কেন এত বেশি রোজা রাখেন? উত্তরে রাসুল (সা.) বলেন, এটি এমন একটি মাস, যার প্রতি মানুষ সাধারণত উদাসীন থাকে। এটি রজব ও রমজানের মাঝখানে অবস্থিত। এই মাসেই বান্দার সব আমল আল্লাহর দরবারে পেশ করা হয়। তাই আমি চাই, আমার আমল এমন অবস্থায় পেশ হোক, যখন আমি রোজাদার থাকি।

এই হাদিসের আলোকে আলেমরা বলেন, শাবান মাসে যতটা সম্ভব বেশি নফল রোজা রাখা উত্তম। তবে পুরো মাস টানা রোজা রাখা শরিয়তসম্মত নয়।

এ ছাড়া আলেমরা মুসলমানদের প্রতি আরেকটি বিষয় বিশেষভাবে স্মরণ করিয়ে দেন, এই মাসে বেশি বেশি দোয়া করা, সুস্থতা কামনা করা এবং আল্লাহর কাছে রমজান পর্যন্ত পৌঁছানোর ও রমজানের রোজা ও ইবাদত যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক চাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শাবান মাসের ১৫ তারিখের জন্য আলাদা কোনো বিশেষ নামাজ বা রোজা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়। তবে শবে বরাতে বা লাইলাতুম মিন নিসফি শাবানে নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়ায় মগ্ন থাকেন অনেকে। এছাড়াও ১৪ শাবান দিবাগত রাতে ইবাদতের পরের দিন আইয়ামে বীজের রোজা রাখা যেতে পারে। হজরত আবু যার রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেন, হে আবু যার! যখন তুমি মাসের মধ্যে তিন দিন রোজা রাখবে; তবে ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোজা রাখবে। (তিরমিজি, নাসাঈ, মিশকাত)

শবে বরাতে নফল নামাজ পড়ার আলাদা কোনো নিয়ম বা নিয়ত নেই। অন্যান্য নফল নামাজ যেভাবে পড়া হয়, এ দিন রাতেও যেভাবে স্বাভাবিক নিয়মে নফল নামাজ পড়তে হবে। আলাদা করে কোনো নিয়ত করতে হবে না। 

কেউ এ রাতে নফল নামাজ পড়ার আলাদা কোনো নিয়ম বা নিয়ত সাব্যস্ত করলে তা বিদয়াত বলে গণ্য হবে। কারণ, শবে বরাতে নামাজ পড়ার কোনো নিয়ম বর্ণনা করেননি রাসুল (সা.)। 

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..

Dhaka Forecast & Prayer Schedule

--°C
Loading...
💧 Humidity
--%
🌬 Wind
-- km/h

3-Day Forecast

Prayer Time

🕌 Fajr 🕌 Dhuhr
-- --
🕌 Asr 🕌 Maghrib
-- --
🕌 Isha
--
Loading countdown…
দেশ ও মুদ্রা ১ ইউনিট = টাকা পরিবর্তন
⏳ Currency data loading...