✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পথ অনুসরণ করতে যাচ্ছে যে দেশ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০১-২০, | ১১:৪৮:৩৮ |
শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অস্ট্রেলিয়ার পথ অনুসরণ করার কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে যুক্তরাজ্য সরকার।  ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ব্রিটিশ মন্ত্রীরা শিগগিরই অস্ট্রেলিয়া সফর করবেন। 

গত মাসেই বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া অনূর্ধ্ব-১৬ বয়সিদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে যুক্তরাজ্য সরকার জানায়, শিশুদের সুরক্ষায় বিশ্বব্যাপী প্রচলিত বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে তারা তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ করছে।  এর মধ্যে একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করা সম্ভব কি না এবং এটি করলে কিভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হয়েছে। 

শুধু নিষেধাজ্ঞা নয়, ডিজিটাল কনসেন্টের (সম্মতি) বয়স বাড়ানো এবং রাতে ফোন ব্যবহারের সময়সীমা নির্ধারণের মতো প্রস্তাবগুলোও খতিয়ে দেখছে দেশটি।

যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী লিজ কেন্ডাল এ প্রসঙ্গে বলেন, প্রযুক্তি যেন শিশুদের জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে বরং সমৃদ্ধ করে, তা নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর।  বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ার ‘ইনফিনিট স্ক্রলিং’ বা আসক্তি তৈরি করে এমন ফিচারগুলো নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনা করছে সরকার। 

এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে তৈরি করা আপত্তিকর কনটেন্ট থেকে শিশুদের রক্ষা করাও এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

এদিকে বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির নেত্রী কেমি ব্যাডেনখ এই উদ্যোগের সমালোচনা করে বলেছেন, বর্তমান লেবার সরকার সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করছে। তার মতে, শিশুদের সুরক্ষায় দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ছিল।  যদিও ব্রিটিশ সরকার এখনো কোনো নির্দিষ্ট বয়সসীমা চূড়ান্ত করেনি, তবে বর্তমানে প্রচলিত ১৩ বছর বয়সের ডিজিটাল সম্মতির সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

সূত্র: আল জাজিরা

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..