আমার এক্স হাজবেন্ডরা মহান: বাঁধন

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০১-১৮, | ২০:২১:১৮ |
শোবিজ অঙ্গনের খুব কম তারকাই সমাজে মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা হতে পেরেছেন। তবে এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন আজমেরী হক বাঁধন। তিনি বরাবরই তার অনুভূতি বা মতামত স্পষ্ট ও জোরালোভাবে প্রকাশ করে যে কোনো প্রাসঙ্গিক ইস্যুতে সক্রিয় থেকেছেন।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে হাজির হয়ে নিজের চিন্তা ভাবনা, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন বাধঁন।

পডকাস্টের শুরুতে সঞ্চালক বাঁধনের প্রশংসা করে বলেন তার সাথে কথা বলে তিনি শক্তি পান। তখন বাঁধন ও বিষয়টির সাথে একমত পোষণ করে বলেন, ‘আমার পরিচিতজন সকলেই আমার চিন্তা ভাবনা দ্বারা অনুপ্রাণিত হন।’

বাঁধনের কাছে কোনো বাঁধাই অপ্রতিরোধ্য নয়। এই শক্তির উৎস কী জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় সততাই আপনাকে সবচেয়ে বেশি পাওয়ার দিবে। আর সেই জায়গা থেকে আমার মনে হয় আমি আমার কাজের ব্যাপারে সৎ, ব্যক্তিগত জীবনেও সৎ যেটি আমাকে মূলত শক্তি জোগায়।’

সব বিষয়ে অকপট থাকতে গিয়ে জীবনে অনেকের কাছে তিক্ত হতে হয়েছে এই অভিনেত্রীকে। তবে বাঁধনের মতে তিনি এসব বিষয়ে নিজেকে একদমই কষ্ট পেতে দেয় না। বরং সব তিক্ততার জবাব তিনি একভাবেই দিতে পছন্দ করেন সেটা হচ্ছে নীরব থাকা।’

বেশিরভাগ শিল্পীকেই নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। তবে বাঁধন ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে সামাজিক বিভিন্ন ইস্যুতে নিজের জোরালো ও স্পষ্ট মতামত ব্যক্ত করেছেন।



আশেপাশের মানুষ তার এই স্পষ্টবাদী চরিত্রকে কীভাবে নেয় এ প্রসঙ্গে বাঁধন বলেন, ‘আমার আশেপাশের সবাই বলতো আমি যা করি সব ভুল। কারণ আমি সবসময় ভিন্ন কিছু করেছি যা সেসময় কেউ করার চিন্তা করতো না তবে সময়ের সাথে তারাই পরে আমাকে বাহবা দিত।’

অ্যাওয়ার্ড বা সিনেমার কাজের চাইতে মানুষের জীবনে কাজ ও চিন্তা ভাবনা দ্বারা প্রভাব ফেলতে পারাই বাঁধনের কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন।

খ্যাতির শীর্ষে থেকেও কখনো স্টারডমের আড়ালে নিজেকে হারিয়ে যেতে দেয়নি সাহসী এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি চাই নি মানুষ কখনো ভাবুক আমি ধরা-ছোঁয়ার বাইরে একজন মানুষ। যেকোনো সাধারণ মেয়ের মতোই জীবনকে তুলে ধরতে চেয়েছি। যাতে সমাজের আরেকটা মেয়ে আমার জীবনের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে এবং আমি সেটা পেরেছি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক সময় বাঁধনের স্পষ্ট অবস্থান নিয়ে ইন্ড্রাস্টির মানুষ থেকে শুরু করে নেটিজেনরা সমালোচনা করে থাকেন। এরকম অবস্থায় মানসিকভাবে বাঁধন ভেঙে পড়ে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি আসলেই এতটা ভাঙা গড়ার মধ্য দিয়ে গিয়েছি যে এসব নিয়ে ডিস্টার্ব হওয়ার সুযোগ নেই। আর এটার পুরো ক্রেডিট আমার এক্স হাজবেন্ডদের।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি তাদের অনেক ক্রেডিট দেই আমার জীবনের আজকের অবস্থানের জন্য। তারা আমাকে এমন গেরিলা ট্রেনিং দিয়েছে যে আমি এখন সব কঠিন সময় মোকাবিলা করতে জানি। তারা দুজনই মহান থেকে মহান যা ওনারা আমার সাথে করেছে এরপর শুধু বাকি ছিল খুন করে ফেলা।’

প্রাক্তন স্বামীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বাঁধন বলেন, ‘আমি তাদের কাছে অনেক গ্রেটফুল তারা আমাকে ভীষণভাবে সাহায্য করেছে আজকের বাঁধন হতে।’

প্রসঙ্গত, আজমেরী হক বাঁধন প্রথমবার বিয়ে করেন মাত্র ১৯ বছর বয়সে। বৈবাহিক ধর্ষন ও নির্যাতনের শিকার হয়ে ডিভোর্স হয় তার। এরপর ২০১০ সালে তার চেয়ে ২০ বছরের বড় মাশরুর সিদ্দিকী সনেটকে ভালোবেসে বিয়ে করেন। প্রায় চার বছর সংসার করার পর ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদ হয় তাদের। বাঁধন-সনেট দম্পতির একটি মেয়ে রয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..

Dhaka Forecast & Prayer Schedule

--°C
Loading...
💧 Humidity
--%
🌬 Wind
-- km/h

3-Day Forecast

Prayer Time

🕌 Fajr 🕌 Dhuhr
-- --
🕌 Asr 🕌 Maghrib
-- --
🕌 Isha
--
Loading countdown…
দেশ ও মুদ্রা ১ ইউনিট = টাকা পরিবর্তন
⏳ Currency data loading...