স্কুলে ৮ লাখ আসন ফাঁকা, ভর্তি করা যাবে যেভাবে

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০১-০৮, | ১৮:৫২:১৯ |
দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুলে এখনো প্রায় আট লাখের মতো আসন ফাঁকা রয়েছে। অন্যদিকে আবেদন করেও ভর্তির জন্য পছন্দের স্কুল না পেয়ে অনেক শিক্ষার্থী এখন পর্যন্ত ভর্তিই হননি। 

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) বলছে, যেসব স্কুলে আসন ফাঁকা সেখানে চাইলেই শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবে। শূন্য আসন পূরণে নির্দেশনা রয়েছে দপ্তরের। 

মাউশি সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশের সরকারি স্কুলগুলোতে মোট ১ লাখ ২১ হাজার ৫৯৬টি আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছিল ৭ লাখ ১৯ হাজার ৮৫৮টি। এর মধ্যে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ৫২১ জন শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে আসন খালি আছে ১৪ হাজার ৭৫টি।

বেসরকারি স্কুলে ১০ লাখ ৭২ হাজার ৯১৭টি আসনের বিপরীতে ভর্তির আবেদন করেছিল ৩ লাখ ৩৬ হাজার ১৯৬ জন শিক্ষার্থী। ভর্তির সুযোগ পেয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৯৭৮ জন। এ অবস্থায় সাড়ে ৮ লাখের মতো আসন ফাঁকা থাকলেও অসংখ্য শিক্ষার্থী এখনো কোনো স্কুলে ভর্তি হতে পারেনি।

এ বিষয়ে ঢাকার এক অভিভাবক বলেন, আসনসংখ্যা কম থাকার কারণে আমার সন্তানকে এবার স্কুলে ভর্তি করানো সম্ভব হয়নি। লটারির মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত কোথাও সুযোগ মেলেনি। একাধিক স্কুলে আবেদন করেও সন্তানের জন্য ভালো ও মানসম্মত কোনো স্কুল পাওয়া যাচ্ছে না। এটি আমাদের জন্য খুবই হতাশার বিষয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, কেন্দ্রীয় ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর স্কুলগুলোতে যেসব আসন এখনো শূন্য রয়েছে, সেগুলো পূরণের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ মাউশির অনুমতি সাপেক্ষে স্থানীয়ভাবে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারবে। এ প্রক্রিয়া চলাকালীন স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, জেলা প্রশাসকের (ডিসি) প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।

তিনি বলেন, এ ভর্তি প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে মূলত স্কুল কর্তৃপক্ষ বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিজে। কেন্দ্রীয়ভাবে নির্ধারিত ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর অবশিষ্ট শূন্য আসন পূরণের এ বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শূন্য আসনে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রথমত যারা আগে থেকেই ‘ওয়েটিং লিস্টে’ বা অপেক্ষমাণ তালিকায় আছেন, প্রতিষ্ঠান চাইলে তাদের মধ্য থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারবে। তবে যদি অপেক্ষমাণ তালিকায় কোনো শিক্ষার্থী না থাকে এবং নতুন কোনো শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আবেদন করে, সেক্ষেত্রে অবশ্যই পুনরায় লটারির মাধ্যমে মেধা যাচাই করে তাকে ভর্তি করাতে হবে। লটারি ছাড়া সরাসরি ভর্তির কোনো সুযোগ নেই।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..

Dhaka Forecast & Prayer Schedule

--°C
Loading...
💧 Humidity
--%
🌬 Wind
-- km/h

3-Day Forecast

Prayer Time

🕌 Fajr 🕌 Dhuhr
-- --
🕌 Asr 🕌 Maghrib
-- --
🕌 Isha
--
Loading countdown…
দেশ ও মুদ্রা ১ ইউনিট = টাকা পরিবর্তন
⏳ Currency data loading...