বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম ভাগে দারুণ আলো ছড়িয়েছেন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। তবে দেশের ডাক পড়ায় মাঝপথেই বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে হয়েছে। সেই তারকাদের হাত ধরেই শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে পাকিস্তান।
বিশ্বকাপের আর এক মাসেরও কম সময় বাকি। ঠিক এই সময়ে এক সিরিজ মানে সেটা বিশ্বকাপের পোশাকি মহড়াই। সে মহড়ার শুরুটা পাকিস্তান করল ভালোভাবেই। ১২৯ রানের লক্ষ্য তারা ছুঁয়ে ফেলে ২০ বল আর ৬ উইকেট হাতে রেখে।
এই জয়ের ভিত্তি গড়ে দেয় পাওয়ারপ্লে। ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও সাইম আইয়ুব ভালো শুরু এনে দেন। দুজনেই বিপিএল মাতিয়ে গেছেন, সাইম সিলেট আর ফারহান খেলেছেন রাজশাহীর হয়ে। সেই ফর্মটা লঙ্কান মুল্লুকেও ধরে রেখেছেন দুজনে। সাইম তিনটি চার ও একটি ছক্কায় ১৮ বলে ২৪ রান করে আউট হন। তবে তার সঙ্গী ফারহান খেলেন ৩৬ বলে ৫১ রানের এক ইনিংস। তার ব্যাটে ছিল চারটি চার ও দুটি ছক্কা।
এর আগে পাকিস্তানের বোলিংয়ে চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। তারা অলআউট হয় ১৯ দশমিক ২ ওভারে ১২৮ রানে। ওপেনার কামিল মিশ্রা শূন্য রানে আউট হন। ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে খেলে যাওয়া বোলার সালমান মির্জার শিকার হয়ে ফেরেন তিনি। এরপর ওয়াসিম তুলে নেন পাথুম নিশাঙ্কার উইকেট। নিশাঙ্কা ১২ বলে ১২ রান করেন।
দুই ওপেনার দ্রুত ফিরে যাওয়ায় শ্রীলঙ্কা চাপে পড়ে। মাঝখানে জানিথ লিয়ানাগে লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। তিনি ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও অধিনায়ক দাসুন শানাকার সঙ্গে জুটি গড়েন। হাসারাঙ্গা করেন ১৮ রান। শানাকা করেন ১২ রান। তবে লিয়ানাগে ৩১ বলে ৪০ রান করে আবরারের বলে আউট হন।
পাকিস্তানের হয়ে সালমান মির্জা ও আবরার তিনটি করে উইকেট নেন। শাদাব খানও ফেরার ম্যাচে দুটি উইকেট পান। টস জিতে পাকিস্তান আগে বোলিং নেয়। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এই সিরিজ।
তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজটি দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি। পাকিস্তান টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ খেলবে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। গ্রুপ পর্ব ও সুপার এইটের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কাতেই হবে। পাকিস্তান সেমিফাইনাল বা ফাইনালে উঠলে সেই ম্যাচও হবে শ্রীলঙ্কায়।
এ জাতীয় আরো খবর..