চুল পড়ে দিন দিন খালি হচ্ছে মাথা, এই ৫ কারণ দায়ী নয় তো?

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০১-০৬, | ১৭:৩৫:১৮ |
মাথাভর্তি চুল সবারই পছন্দ। চুল বেশি থাকলে যেন সৌন্দর্য কয়েকগুণ বেশি প্রকাশ পায়। কিন্তু সৌন্দর্যের প্রধান হাতিয়ারই যদি দিন দিন হারিয়ে যেতে থাকে, অর্থাৎ পড়ে যেতে থাকে, তাহলে কি মন ভালো থাকে? বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে, 
চুল রক্ষায়, চুলের বৃদ্ধির জন্য এবং তার যত্নে রকমারি প্রসাধনী ব্যবহার করেন নারীরা। দামি দামি ব্র্যান্ডের তেল, সিরাম, শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করা হয়। 

কিন্তু এরপরও কখনো কখনো চুল পড়া রোধ করা যায় না। এ ক্ষেত্রে শুধু বাহ্যিক প্রসাধনী যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন ভেতর থেকে সুস্থতা। তাই খাদ্যতালিকায় নজর রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। চুল পড়ার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কারণ জানিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। তাহলে এ ব্যাপারে জেনে নেয়া যাক-

পরিশোধিত কার্ডোহাইড্রেট ও চিনিযুক্ত খাবার:
খাদ্যতালিকায় থাকা পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট যেমন- সাদা রুটি, বিস্কুট ও পেস্ট্রি থাকলে তা শরীর ও চুলের স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে। পাশাপাশি মিষ্টিজাতীয় খাবারও চুল পড়ার ক্ষেত্রে অবদান রাখে। ২০১৬ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণ কার্বোহাইড্রেটের অতিরিক্ত ব্যবহার থেকে নারীদের চুল পড়ার পরিমাণ খারাপ হতে পারে।

ভাজা খাবার:
সুস্থ থাকতে চাইলে এবং চুলকে সুরক্ষিত রাখতে চাইলে সবচেয়ে ভালো কাজ হচ্ছে খাদ্যতালিকা থেকে ভাজাপোড়া খাবার বাদ দেয়া। ভাজাপোড়া খাবারগুলোয় প্রায়ই ট্রান্স ফ্যাট, ওমেগা-৬ ফ্যাট এবং লবণ থাকলেও এতে পুষ্টির অভাব থাকে। উপাদানগুলো সিস্টেমিক প্রদাহ ও অক্সিডেটিভ স্ট্রেস সৃষ্টি করে থাকে, যা উভয়ই চুলের ফলিকলকে ক্ষতি করতে পারে। এ জন্য ভাজাপোড়া খাবার না খাওয়াই ভালো।

টুনা মাছ:
হাঙর, সোর্ডফিশ, কিং ম্যাকেরেল এবং টুনার মতো কিছু বড় মাছ মুখরোচক হলেও তা চুলের জন্য উপকারী নয়। এ ধরনের বড় মাছগুলোয় পারদের মাত্রা বেশি থাকে। ২০১৯ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, পারদের পরিমাণ বেশি থাকা টুনা মাছ খেলে চুল পড়ার সম্ভাবনা বেশ বেড়ে যায়।

লাল মাংস:
লাল মাংস চুলের জন্য সহায়ক নাও হতে পারে। এসব কেবল কোলন ক্যানসারের ঝুঁকিই বাড়ায় না, বরং চুলের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ২০১০ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, লালজাতীয় মাংস ও ভাজা খাবার এড়িয়ে চলা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এসব খাবার চুলের স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কেননা, এসব সিবাম ও তেল গ্রন্থির অতিরিক্ত সক্রিয়তা সৃষ্টি করে।

চিনিযুক্ত খাবার:
চিনিযুক্ত পানীয় থেকে সবসময় দূরত্ব বজায় রাখা উচিত। এসব শুধু অন্ত্রের জন্যই নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। এমনকি ডায়েট ভার্সনগুলোও ভালো নয়। কারণ, এতে কৃত্রিম মিষ্টি থাকে, যা অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে থাকে। রক্তে শর্করার দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ও অস্বাস্থ্যকর অন্ত্রের পরিবেশ প্রদাহ এবং পুষ্টির শোষণের ব্যাঘাত ঘটায়। যা চুলের ওপর প্রভাব ফেলে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..

Dhaka Forecast & Prayer Schedule

--°C
Loading...
💧 Humidity
--%
🌬 Wind
-- km/h

3-Day Forecast

Prayer Time

🕌 Fajr 🕌 Dhuhr
-- --
🕌 Asr 🕌 Maghrib
-- --
🕌 Isha
--
Loading countdown…
দেশ ও মুদ্রা ১ ইউনিট = টাকা পরিবর্তন
⏳ Currency data loading...