বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ছিলেন ক্রীড়ানুরাগী। আপসহীন দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সারা দেশের মতো শোকাহত ক্রীড়াঙ্গনের সবাই।
খালেদা জিয়ার আপন খালাতো বোন সাবেক তারকা অ্যাথলেট শামীমা সাত্তার মিমু তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন, ‘নেত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে আমার রক্তের সম্পর্ক ছিল। আমার আপন খালাতো বোন তিনি। যদিও আমি রাজনীতিতে কখনো জড়াইনি। উনাদের পরিবারের সবাই খেলাধুলা ভালোবাসত। তারেক জিয়া ছোটবেলায় ক্রিকেট ও ফুটবল খেলতেন। আরাফাত রহমান কোকো বিসিবির সভাপতি ছিলেন। খেলাধুলা প্রচণ্ড ভালোবাসতেন খালেদা জিয়া।’ তিনি যোগ করেন, ‘আমার সঙ্গে দেখা হলেই খালেদা জিয়া বলতেন, খেলাধুলা নিজে করবি, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করবি। খেলাধুলা করলে নাম হয়। বিদেশে রাষ্ট্রকে পরিচয় করিয়ে দেন একজন ক্রীড়াবিদ। খেলাই তারুণ্যের মূলমন্ত্র।’
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আলফাজ আহমেদ বলেন, ‘২০০১ সালে প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবলের ট্রফি এসেছিল বাংলাদেশে। তখন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আমি সোনার ট্রফি উনার হাতে তুলে দিলাম। হাতে ট্রফি নিয়ে হাসি দিলেন। ওই হাসি দেখে মনে হলো, আমরাই যেন বিশ্বকাপ জিতেছি।’
বর্তমানে মোহামেডান কোচ আলফাজ বলেন, ‘খুবই ক্রীড়ানুরাগী ছিলেন খালেদা জিয়া। ট্রফি হাতে নিয়ে তিনি বলেছিলেন, দেশের ফুটবলকে আরও এগিয়ে নিতে হবে।’ ২০০৩ সালে প্রথম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। ওই সময় দলের সবাইকে পাঁচ কাঠার একটি করে প্লট দিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এমন সম্মান আর কখনো পাননি বলে জানান ওই সাফজয়ী দলের অধিনায়ক হাসান আল মামুন।
এ জাতীয় আরো খবর..