ফাইনালে লা লিগার দাপট

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১৮, | ১১:৩৩:৪০ |

লিওনেল মেসির বর্তমান ঠিকানা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামি। সাতবারের বিশ্বসেরা ফুটবলার যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবে নাম লেখেন ফ্রান্সের পিএসজি থেকে। তার আগে খেলেছিলেন বিশ্বখ্যাত ক্লাব বার্সেলোনায়। কাতালানদের জার্সিতে তিনি ব্যালন ডি’অর, চ্যাম্পিয়নস লিগ, লা লিগা জিতেছেন। রবিবার বিশ্বকাপের ২৩তম আসর ফাইনালে প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হবে মেসির আর্জেন্টিনা ও বার্সেলোনার স্পেন। মেসি যদি এখনো বার্সেলোনায় খেলতেন, তাহলে তাকে লা লিগার সতীর্থদের বিপক্ষেই খেলতে হতো। নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে তিনবারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ একবারের চ্যাম্পিয়ন স্পেন। দুই দেশের বিশ্বকাপের স্কোয়াডে ২৬ জন করে ৫২ ফুটবলার রয়েছেন। এই ৫২ ফুটবলারের ২৪ জন ক্লাব ফুটবলে খেলেন স্পেনের লা লিগায়। সে অর্থে দুই দলের ফুটবলারদের প্রায় অর্ধেকই বছরজুড়ে একে অপরের প্রতিপক্ষ হিসেবে খেলেছেন। পূর্ব পরিচিতি নিয়েই বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলবেন। ২৪ ফুটবলারের ১৭ স্পেনের এবং সাতজন আর্জেন্টিনার। লা লিগার পরপরই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের অবস্থান। বিশ্বের সবচেয়ে জমজমাট প্রিমিয়ার লিগে খেলেছেন দুই দলের ১৩ ফুটবলার। স্প্যানিশ কোচ দে লা ফুয়েন্তে তার ২৬ জনের স্কোয়াডে রিয়াল মাদ্রিদের কোনো ফুটবলার নেননি। এ নিয়ে বিস্তর সমালোচনা হয়েছে দেশটিতে। সমালোচকদের পাত্তা দেননি কোচ। তার স্কোয়াডে সবচেয়ে বেশি আট ফুটবলার লামিনে ইয়ামাল, পেদ্রি, জোয়ান গার্সিয়া, পাউ কুবারসি, এরিক গার্সিয়া, গাভি, দানি ওলমো ও ফেরান তোরেস খেলেন বার্সেলোনায়। অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদে খেলেন মার্ক পুওবিল, মার ইয়ারেন্তে ও অ্যালেক্স বায়েনা, অ্যাথলেটিকো বিলবাওয়ের উনাই সিমন, আইমেরিক লাপোর্তে, নিকো উইলিয়ামস, রিয়াল সোসিদাদে মিকেল ওইয়ারজাবাল, ওসাসুনার ভিক্টর মুনোজ ও সেল্টা ভিগোর বোর্হা ইগলেসিয়াস। লা লিগার বাইরে স্পেনের ফুটবলারদের মধ্যে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের আর্সেনালে খেলেন মিকেল মেরিনো, মার্টিন জুবিমেন্দি ও ডেভিড রায়া। এ ছাড়া চেলসিতে মার্ক কুকুরেইয়া, ম্যান সিটিতে রদ্রি, টটেনহ্যাম হটস্পারে পেদ্রো পররো, ক্রিস্টাল প্যালেসে ইয়েরেমি পিনননো এবং পিএসজিতে ফ্যাবিয়ান রুইজ ও বায়ার লেভারকুজেনে আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো খেলেন। দুই দলের স্কোয়াডে লা লিগার ২৪, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ১৩, ফ্রেঞ্চ লিগে পাঁচ, জার্মান বুন্দেসলিগা, ইতালির সিরি-এ, যুক্তরাস্ট্রের এমএএলএম ও আর্জেন্টিনা লিগা প্রফেশনালসের পক্ষে দুজন করে খেলেন। একজন করে পর্তুগালের প্রিমেইরা লিগ ও ব্রাজিলের সিরি-এ লিগে খেলেন।

আর্জেন্টিনার নিওক্লিয়াস মেসি খেলেন মার্কিন ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে। তার সতীর্থ রদ্রিগো ডে পল। সবচেয়ে বেশি ছয় ফুটবলার হুয়ান মুসো, নাহুয়েল মলিনা, হুলিয়ান আলভারেজ, নিকো গঞ্জালেস, থিয়াগো আলমাদ ও জুলিয়ানো সিমিওনে খেলেন অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদে। এ ছাড়া রিয়াল বেটিসে জিওভানি লো সেলসো খেলেন। ইন্টার মিলানের লটারো মার্টিনেজ, জুভেন্টাসের নিকালাস গঞ্জালেস ও কোমো ১৯০৭ ক্লাবের ফুটবলার নিকো পাজ। লা লিগার বাইরে আর্জেন্টাইন স্কোয়াডের ফুটবলারদের মধ্যে ফ্রেঞ্চ লিগের অলিম্পিক মার্সেইতে গেরোনিমো রুলি, লিওনার্দো, বালের্দি, ও ফাকুন্দো মেদিনা, মার্কিন ক্লাব ইন্টার মায়ামির লিওনেল মেসি, অ্যাস্টন ভিলায় এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, টটেনহ্যাম হটস্পারের ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, মার্কোস সেনেসি, ম্যানইউর লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, লিভারপুলের অ্যালেক্সিস ম্যাকলিস্টার, চেলসির অ্যাঞ্জো ফের্নান্দেজ রয়েছেন স্কোয়াডে। পর্তুগালের ক্লাব বেনফিকায় নিকালাস ওতমেন্দি, ফ্রেঞ্চ লিগের অলিম্পিক লিঁওতে নিকালোস তাগলিয়াফিকো, বুন্দেসলিগার ক্লাব বায়ার লেভারকুজেনে এজেকিয়েল পালাসিওস, ফ্রেঞ্চ লিগের রেসিং স্ট্রাইবুর্সের ভ্যালেন্টিন বারকো, ব্রাজিলের পারমেইরাসে হোসে ম্যানুয়েল লোপেজ, আর্জেন্টিনার বোকা জুনিয়র্সে লিয়াসান্দ্রো পারদেস ও রিভার প্লেটে খেলেন গঞ্জালো মন্তিয়েল। 

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..