✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১৮, | ১১:৩০:২৭ |গত দুই বিশ্বকাপের ফাইনাল খেললেও, এবার সেমি-ফাইনালের বাধা পার করতে পারেনি ফ্রান্স। তাই শেষ চারে থেমে গেছে তাদের পথচলা। তবে টুর্নামেন্ট থেকে পুরোপুরি বিদায়ও হয়নি দলটির। কারণ দেশে ফেরার আগে খেলতে হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ।
মায়ামি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় শনিবার রাত ৩টায় তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ আরেক সেমি-ফাইনালে হেরে যাওয়া ইংল্যান্ড। আগেই ইংলিশরা জানিয়েছে, অর্থহীন এই ম্যাচ খেলার কোনো ইচ্ছা নেই তাদের।
এবার ফ্রান্সের ফুটবলার-কোচেরও একই মূল্যায়ন। তারাও বলছে, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী নামের এই ম্যাচে মাঠে নামার কোনো অর্থ খুঁজে পাচ্ছেন না। শুধু তাই নয়, দলের ডিফেন্ডার ইব্রাহিম কোনাতে তো মজা করে এই ম্যাচের নাম দিয়েছেন চকলেট মেডেলের ম্যাচ।
অবশ্য খেলার তেমন ইচ্ছা না থাকলেও, কোচ দিদিয়ের দেশমের জন্য এই ম্যাচটি জিততে চায় ফ্রান্স। কারণ ফ্রান্সের ডাগআউটে দেশমের দীর্ঘ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটবে এই ম্যাচ দিয়েই। এরপর আর জাতীয় দলের সঙ্গে দেখা যাবে এক কিংবদন্তি কোচকে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে তাই কোচের জন্যই জয়ের লক্ষ্য কোনাতের।
তিনি বলেন, “আমরা কেউই তৃতীয় স্থানের জন্য ম্যাচটি খেলতে চাইনি, কিন্তু আমাদের কোনো উপায় নেই। আমরা আমাদের কোচকে প্রতিদান দিতে চাই। তিনি ফ্রান্স দলের জন্য অনেক কিছু করেছেন। আমাদের অবশ্যই তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকতে হবে এবং এই ম্যাচটি জেতার জন্য আমাদের সবকিছু করতে হবে... এই চকলেট মেডেল, এই ব্রোঞ্জ মেডেলটি পাওয়ার জন্য।”
কোনাতের মতো দেশমও বলেছেন, এই ম্যাচ খেলার কোনো ইচ্ছা নেই তার। তাই মনের বিরুদ্ধে গিয়েই শনিবার দলকে মাঠে নামাবেন তিনি।
“এই ম্যাচটির জন্য আমার একটি দায়িত্ব আছে। এটি কোনো প্রীতি ম্যাচ নয়। এটি তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। খেলোয়াড়, স্টাফ ও আমার দায়িত্ব হলো এই শেষ লক্ষ্যটি অর্জন করা। যদিও এটি ফাইনালের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ। ইংল্যান্ড এই ম্যাচটি খেলতে চায় না, আমরাও চাই না। তবু আমরা এখানে।”
নিজের বিদায়ী ম্যাচের আবেগ যেন কাউকে ছুঁয়ে না যায় সেই ব্যাপারে আগেভাগেই সতর্ক করলেন দেশম।
“আমাদের লক্ষ্য স্থির করতে হবে যেন তৃতীয় স্থান অর্জন করতে পারি এবং এই শেষ লক্ষ্যটিকে বাস্তবে রূপ দিতে পারি। এই জার্সি গায়ে থাকলে আমাদের এই দায়িত্ব পালন করতেই হয়। আমার মনে আমি জানি যে, এটি আমার শেষ ম্যাচ। আমি চাই না কেউ কাঁদুক। শেষ ঘনিয়ে এসেছে, কিন্তু জীবন তো থেমে থাকে না।”