সর্বশেষ :
ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে কর্মব্যস্ত মানুষ, দেরিতে ট্রেন ছাড়ার অভিযোগ ইরান যুদ্ধ: জরুরি ‘কোবরা’ বৈঠক ডেকেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব অর্থনীতি বড় হুমকির মুখে: আইইএ প্রধান বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম, চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে হতাশা থেকে হুমকি দিচ্ছে তারা : ইরানের প্রেসিডেন্ট ট্যাঙ্কার যুদ্ধের দুঃস্বপ্ন, হরমুজে ফের ডুববে মার্কিন আধিপত্য? সংঘাতমুখী অবস্থান নিচ্ছে ইরানের নতুন নেতৃত্ব তিন সপ্তাহের হামলায় যা বোঝা গেল, আসলে কী চায় যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল? ইরান লন্ডনে হামলা চালাতে সক্ষম, ইসরায়েলের এমন দাবি নাকচ করল যুক্তরাজ্য হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রতিরক্ষা ঘাঁটি গুঁড়িয়ে না দেওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে: মার্কিন অর্থমন্ত্রী

নভেম্বর পর্যন্ত দেশে প্রতি সপ্তাহে ৫০ লাখ টিকা আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২১-০৯-১০, | ০৬:৩৬:০১ |

আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত দেশে প্রতি সপ্তাহে ৫০ লাখ করে করোনাভাইরাসের টিকা আসবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আজ শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর মহাখালীতে তিতুমীর কলেজে বাংলাদেশ ডেন্টাল সার্জন (বিডিএস) পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।

করোনা টিকা সংগ্রহ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) কোভ্যাক্সের আওতায় ১৮ লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে। এর আগে তারা আমাদের ১০ লাখ টিকা দিয়েছে। এ মাসে আমরা আশা করছি, চীন থেকে ২ কোটি টিকা পাব। টিকা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে টিকা দেওয়া কার্যক্রমও জোরদার হবে।

গণটিকা কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে আমরা টিকা পাওয়ার শিডিউল পেয়েছি। আজকেও চীন থেকে ৫০ লাখ টিকা আসার একটা শিডিউল আছে। এ মাসে এমন চারটি শিডিউল রয়েছে। এখন থেকে আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে ৫০ লাখ টাকা আসবে।

জাহিদ মালেক বলেন, ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে এখনও সিদ্ধান্ত আসেনি। বহু দেশে এ বয়সীদের টিকা দেওয়া হচ্ছে না। দু’একটা দেশে পরীক্ষামূলকভাবে দেওয়া হচ্ছে এবং ফল লক্ষ্য করা হচ্ছে। আমরাও একই পদ্ধতি অনুসরণ করছি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদন দিলে আমরাও টিকা দেওয়ার চেষ্টা করব।

জাহিদ মালেক আরো বলেন, অল্প বয়সীদের সংক্রমণের হারও কম। স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল-কলেজে ক্লাস পরিচালনা করা হবে। করোনার সংক্রমণ বেড়ে গেলে পুনরায় আমরা স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দেব। করোনা সংক্রমণের ওপরে সব কিছু খোলা ও বন্ধ নির্ভর করে। সংক্রমণের হার কমেছে বলেই বর্তমানে স্কুল-কলেজ খোলা হচ্ছে। নির্বাচনের কথা ভাবা হচ্ছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..