✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-১১-০৮, | ১৪:৫৫:২৪ |ফুটবল থেকে বিদায়ের পর কেটে গেছে তিন বছর। চোটের কারণে থেমে গিয়েছিল বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার। তবে আবারও বল পায়ে মাঠে নেমে নিজের জাত চেনালেন স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী তারকা ডেভিড সিলভা। প্রত্যাবর্তনের প্রথম ম্যাচেই পেনাল্টি থেকে গোল, সঙ্গে জিতে নিলেন ম্যাচসেরার স্বীকৃতি।
অবসর ভেঙে ফুটবলে ফিরেই যেন পুরোনো ছন্দের ঝলক দেখালেন ডেভিড সিলভা। ৩৯ বছর বয়সী স্পেনের সাবেক এই মিডফিল্ডার শনিবার হংকংয়ের ক্লাব সুপ্রিম শার জার্সিতে মাঠে নেমে গোল করেছেন। শুধু গোল করেই থামেননি, দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে হয়েছেন ম্যাচসেরা খেলোয়াড়ও।
২০২৩ সালে গুরুতর চোটের কারণে পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছিলেন সিলভা। সে সময় স্পেন ও ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে অসাধারণ এক ক্যারিয়ারের ইতি ঘটে। তবে ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা তাকে আবারও মাঠে ফিরিয়েছে। গত মাসে হংকংয়ের ক্লাবটির হয়ে খেলার ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আলোচনায় আসেন তিনি।
প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে শুরু থেকেই নজর ছিল সাবেক ম্যানচেস্টার সিটি তারকার দিকে। অপেক্ষার অবসান ঘটে ম্যাচের ৮৪ মিনিটে। পেনাল্টি থেকে নিচু ও নিখুঁত কোণাকুণি শটে বল জালে পাঠিয়ে সুপ্রিম শার তিনকে এগিয়ে দেন সিলভা। দীর্ঘ বিরতির পর মাঠে ফিরেই গোল-এর চেয়ে দারুণ প্রত্যাবর্তন আর কী হতে পারে!
তবে শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি তার দল। হংকং রেঞ্জার্স গোল করে সমতায় ফিরলে ১-১ ব্যবধানেই শেষ হয় ম্যাচ। ফলাফল পক্ষে না গেলেও ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নেন সিলভা। হংকংয়ের ১২ দলের শীর্ষ লিগে বর্তমানে নবম অবস্থানে রয়েছে শার তিন।
স্পেনের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সফল প্রজন্মের সদস্য সিলভা। ২০০৮ ও ২০১২ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ এবং ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন ১২৫টি ম্যাচ। মাঝমাঠে অসাধারণ বল নিয়ন্ত্রণ, নিখুঁত পাস ও সৃজনশীলতার কারণে দীর্ঘদিন ছিলেন স্পেনের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ফুটবলার।
ক্লাব ফুটবলেও রয়েছে তার অসংখ্য অর্জন। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ১০ বছরের পথচলায় খেলেছেন ৩০৯টি ম্যাচ। ইংলিশ ক্লাবটির হয়ে জিতেছেন ১১টি বড় শিরোপা। সিটির সোনালি সময়ের অন্যতম কারিগর হিসেবে আজও সমর্থকদের কাছে বিশেষ জায়গা রয়েছে তার।