✕

সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রীর সাক্ষাৎ ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক এআইয়ের বাংলা মডেল বানাতে চায় সরকার প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে ‘হাদিসের’ সঙ্গে তুলনা করা সেই কর্মকর্তা পদ হারালেন যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাস গড়ে প্রথম মুসলিম সিনেটর আল-সাইদ মিরপুরে সতর্ক পুলিশ, শ্রমিকদের বাকবিতণ্ডা, বিএনপির মিছিল, চলছে যানবাহন গাজীপুরে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, টিয়ারশেল-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক-পুলিশ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, টিয়ার শেল নিক্ষেপ সাভারে সংঘর্ষে ওসিসহ আহত ৫০, সব গার্মেন্টসে ছুটি ঘোষণা পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বরে চূড়ান্ত হবে, কার্যকর জানুয়ারিতে

গাজীপুরে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, টিয়ারশেল-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

ছবি : সংগৃহীত

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-১১-০৪, | ১৫:২৪:০৯ |
ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে আন্দোলনের আজ বুধবার ষষ্ঠ দিনেও গাজীপুরের বড়বাড়ী এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাকশ্রমিকেরা। এ সময় তাদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

বুধবার গাজীপুরের গাছা থানার সাইনবোর্ড এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় শ্রমিকদের ছোড়া ইটপাটকেলের জবাবে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে সকাল থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। পরে শ্রমিকেরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় দুই থেকে চার হাজার শ্রমিক সড়কে অবস্থান নেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে শ্রমিকেরা তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গাছা থানার সাইনবোর্ড এলাকায় শ্রমিকেরা সড়কে অবস্থান নেন। এ সময় তাদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জয়দেবপুর এলাকাতেও শ্রমিকেরা সড়কে অবস্থান নিয়েছিলেন। সেখান থেকেও তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সালনা, রাজেন্দ্রপুর, শফিপুর ও পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে কাশিমপুর এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা থাকায় সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..