✕

সর্বশেষ :
গাজীপুরের ‘থাপ্পড়কাণ্ডর’ সেই রুমিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ ৪ দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর গুজব: পেট্রোবাংলা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে: জামায়াত আমির ৪৫তম বিসিএসের ২৭ সহকারী কর কমিশনারকে পদায়ন হৃদযন্ত্রের অস্ত্রোপচার শেষে দলে ফিরলেন স্কটিশ মিডফিল্ডার ভাইয়ের সঙ্গে খেলার সময় বুকে বিঁধল কাঁচি, অলৌকিকভাবে প্রাণে বাঁচল শিশুটি এমবাপ্পে বিতর্কে চীনে সম্প্রচার তালিকা থেকে বাদ রিয়াল মাদ্রিদের ম্যাচ শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের বিয়ের ছবি ফাঁস, ক্ষুব্ধ হয়ে ব্যক্তিগত গোয়েন্দা নিয়োগ দিতে চান টেইলর সুইফট তাহসিফ হত্যা: দীপকে ফের ৭ দিনের রিমান্ডে নিতে পুলিশের আবেদন

হার্ট অ্যাটাক হলে প্রথম ৫ মিনিটে যা করবেন

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-১১-০৩, | ১৩:২৫:৪৭ |

হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাক যেকোনো সময়, যেকোনো মানুষের জীবনে হানা দিতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, হার্ট অ্যাটাকের পর প্রথম ৫ থেকে ১০ মিনিট অত্যন্ত সংবেদনশীল—যাকে বলা হয় ‘গোল্ডেন আওয়ার’। এই সময়টাতে দ্রুত ও সঠিক পদক্ষেপ নিলে রোগীর প্রাণ রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা বহুলাংশে বেড়ে যায়।

হার্ট অ্যাটাক হলে প্রথম ৫ মিনিটে ঠিক কী করা উচিত এবং কী করা থেকে বিরত থাকা দরকার, সে সম্পর্কে বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো:

১. দ্রুত জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ (বুকে তীব্র চাপ, ব্যথা যা হাত, চোয়াল বা পিঠে ছড়িয়ে পড়া, ঠান্ডা ঘাম, নিঃশ্বাসের স্বল্পতা) দেখা মাত্রই কালক্ষেপণ না করে নিকটস্থ হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস বা জরুরি সেবায় কল করুন। রোগীকে নিজের গাড়িতে করে হাসপাতালে নেওয়ার চেয়ে অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া অনেক বেশি নিরাপদ, কারণ সেখানে চিকিৎসাসামগ্রী ও অক্সিজেন থাকে।

২. রোগীকে আরামদায়ক অবস্থায় বসান

রোগীকে মেঝেতে বা কোনো আরামদায়ক স্থানে পিঠ সোজা করে বসান। তাকে শুইয়ে দেবেন না, কারণ শোয়া অবস্থায় শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে যেতে পারে। জামাকাপড় যদি টাইট বা অস্বস্তিকর হয়, তবে শার্টের কলার বা বেল্ট একটু ঢিলে করে দিন যাতে সহজে শ্বাস নিতে পারেন।

৩. রোগীকে মানসিকভাবে শান্ত রাখুন

এই সময়ে রোগী এবং আশপাশের সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। আতঙ্কিত হলে হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ আরও বেড়ে যায়, যা হৃৎপিণ্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। তাই রোগীকে শান্ত রাখুন এবং আশ্বস্ত করুন যে সাহায্য দ্রুত পৌঁছাচ্ছে।

৪. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ দিন

যদি রোগীর আগে থেকেই হৃদরোগের ইতিহাস থাকে এবং চিকিৎসকের নির্দিষ্ট প্রেসক্রিপশন বা এমার্জেন্সি ওষুধ (যেমন: অ্যাসপিরিন বা নাইট্রোগ্লিসারিন স্প্রে) নির্ধারিত থাকে, তবে তা নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত সেবন করান। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে কোনো ভারী ওষুধ খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন।

প্রথম ৫ মিনিটে যা কখনো করবেন না

নিজ পায়ে হাঁটার চেষ্টা করবেন না: রোগীর বুকে চাপ বা ব্যথা থাকলে তাকে বসা অবস্থায় রাখুন, কখনোই হেঁটে গাড়ির কাছে যাওয়ার অনুমতি দেবেন না।

ভিড় জমাবেন না: রোগীর চারপাশে অনেক মানুষ ভিড় করলে বাতাসে অক্সিজেনের ঘাটতি হতে পারে এবং রোগী আরও বেশি মানসিক চাপে পড়তে পারেন।

গায়ের জোর দিয়ে ম্যাসেজ বা চাপাচাপি করবেন না: বুকে হাত দিয়ে জোরে চাপ দেওয়া বা মালিশ করার মতো ভুল পদ্ধতিগুলো এড়িয়ে চলুন। যদি রোগীর নাড়ি বা শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় (অর্থাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট ঘটে), তবেই কেবল প্রশিক্ষিত ব্যক্তিরা সিপিআর শুরু করতে পারেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সচেতনতা এবং দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই জীবন ও মৃত্যুর ব্যবধান গড়ে দিতে পারে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..