✕


যেভাবে অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন টাইগার শ্রফ, গুলিকাণ্ডের নেপথ্যে কারা?

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-১০-১৯, | ০১:২২:৪৪ |

মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় রবিবারের সন্ধ্যায় অল্পের জন্য প্রাণরক্ষা পেলেন জনপ্রিয় বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ। মোটর সাইকেলে আসা তিন দুষ্কৃতীর এলোপাতাড়ি গুলিতে অভিনেতার গাড়িচালক আহত হলেও টাইগার শ্রফ অক্ষত রয়েছেন। ফুটবল খেলার মাঠ থেকে বের হওয়ার সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের এক সদস্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও বার্তা দিয়ে হামলার দায় স্বীকার করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার সন্ধ্যায় জুহুর একটি ফুটবল গ্রাউন্ড থেকে বের হওয়ার সময় টাইগারের গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। ঘটনার পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে অনিল পণ্ডিত নামের এক ব্যক্তি নিজেকে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্য হিসেবে দাবি করে বলেন, সালমান খানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং তাঁদের নির্দেশ অমান্য করার কারণে টাইগার শ্রফ তাঁদের ‘হিট লিস্টে’ ছিলেন। গুজরাটের কারাগারে বন্দি কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই এর আগেও বহুবার সালমান খানকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন।

ভাইরাল হওয়া অডিও ও ভিডিও বার্তায় হিন্দি ভাষায় অনিল পণ্ডিতকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি অনিল পণ্ডিত। লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ছোট ভাইয়ের মতো। আজ টাইগার শ্রফের সঙ্গে যা ঘটেছে, তার সম্পূর্ণ দায়-দায়িত্ব আমরা—হারমান সান্ধু ও আমি—নিচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘টাইগার শ্রফকে আগে বোঝানো হলেও তিনি কথা শোনেননি।’ শিল্পীদের উদ্দেশে ওই গ্যাং সদস্যের হুঁশিয়ারি, ‘চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে যারা আমাদের তোয়াক্কা না করে কাজ করবে কিংবা সালমান খানের সঙ্গে কাজ করবে, তাদের সবাইকে হত্যা করা হবে। এটি প্রথম ও শেষ সতর্কবার্তা।’

এছাড়াও, ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের কথিত ঘটনায় লরেন্স ও বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে সালমান খানকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে গ্যাংটি। অন্যথায় সালমানের পরিবারের কাউকে, এমনকি পোষা কুকুরগুলোকেও রেহাই দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২০২৩ সালে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) জানিয়েছিল, গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ১০টি প্রধান টার্গেটের তালিকার শীর্ষে রয়েছেন সালমান খান। মূলত কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই টার্গেট করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১২ অক্টোবর মুম্বাইয়ের বান্দ্রা এলাকায় মহারাষ্ট্রের সাবেক মন্ত্রী ও ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস নেতা বাবা সিদ্দিকী খুন হন। সালমান খানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের জেরে ওই হত্যাকাণ্ডের দায়ও স্বীকার করেছিল লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং।

সূত্র : এনডিটিভি।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..