✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

বিদায়ের মঞ্চে বাবাকে স্মরণ করে কাঁদলেন

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-১০-০৭, | ১৩:৫৮:৫৮ |

আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবার মাঠে নামার পর আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না লিওনেল মেসি। বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয় দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলার পর বিদায়ী বক্তব্যে বাবাকে স্মরণ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

দুই দশকের বেশি সময় জাতীয় দলের হয়ে খেলার স্মৃতি, কঠিন সময় পেরিয়ে সাফল্যের শিখরে ওঠা এবং প্রিয় জার্সিকে বিদায় জানানোর কষ্ট, সবকিছুই উঠে আসে মেসির কথায়। এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে বাবাকে হারানোর বেদনাও নতুন করে তাকে আবেগাপ্লুত করে তোলে।

মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে মেসি বলেন, এই মুহূর্তে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করা তার জন্য খুব কঠিন। অনেক আবেগ একসঙ্গে মনে ভিড় করছে এবং সবার আগে তার বাবার কথাই মনে পড়ছে।

এরপর নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের দিকে ফিরে তাকান ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা। দুই দশকের বেশি সময় আর্জেন্টিনার জার্সি পরতে পারাকে জীবনের অন্যতম বড় সম্মান হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

মেসি বলেন, জাতীয় দলের সঙ্গে তার পথচলায় কঠিন সময় যেমন এসেছে, তেমনি এসেছে সাফল্যও। তবে প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি কখনো লড়াই থেকে সরে যাননি এবং দলের জন্য নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত কতটা কঠিন, সেটিও স্পষ্ট করেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। জাতীয় দলের হয়ে আর মাঠে ফিরতে না পারার বিষয়টি তার জন্য অত্যন্ত কষ্টের বলেও জানান তিনি। তার মতে, আর্জেন্টিনার হয়ে খেলা একজন ফুটবলারের জন্য সবচেয়ে সুন্দর অভিজ্ঞতাগুলোর একটি।

তবু কেন এই সময়েই থামার সিদ্ধান্ত, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন মেসি। তার মতে, দীর্ঘ ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে এটাই সরে দাঁড়ানোর সঠিক সময়। শেষ বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতাও তার জন্য ছিল শারীরিক ও মানসিকভাবে কঠিন।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ম্যাচের কথাও স্মরণ করেন মেসি। ম্যাচটি দলকে শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রচণ্ড চাপে ফেলেছিল বলে জানান তিনি। তবে কঠিন পরিস্থিতিতেও আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়েরা জাতীয় দলের জার্সির জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করে গেছেন বলে উল্লেখ করেন মেসি।
 বিদায়ী বক্তব্যের শেষ দিকে সতীর্থদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। মেসির বিশ্বাস, তার পাশে থাকা প্রতিটি খেলোয়াড়ই আর্জেন্টিনার জার্সির জন্য সবসময় নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছেন।

বেনিনের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে একটি গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন মেসি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে ২০৮ ম্যাচে ১২৬ গোল ও ৭০টি অ্যাসিস্ট নিয়ে শেষ হলো তার বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক অধ্যায়।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..