✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

যুদ্ধাপরাধে জড়ানোর আশঙ্কা, ইসরায়েলি তিন ভাই-বোনকে আশ্রয় দেবে অস্ট্রেলিয়া

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-২৭, | ১১:৩৬:৩৮ |

গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় থাকা ইসরায়েলি তিন ভাই-বোনকে সুরক্ষা দেওয়ার পথ খুলে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির প্রশাসনিক পর্যালোচনা ট্রাইব্যুনাল (এআরটি) রায় দিয়েছে, বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা প্রত্যাখ্যান করায় ইসরায়েলে ফিরে গেলে তারা কারাদণ্ড ও রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ায় সুরক্ষা ভিসার আবেদন করা একটি পরিবারের তিন প্রাপ্তবয়স্ক সন্তান এই রায়ের আওতায় এসেছেন। ট্রাইব্যুনাল তাদের বক্তব্যকে গ্রহণ করে বলেছে, গাজায় চলমান যুদ্ধে অংশ নিলে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের আশঙ্কা রয়েছে—এমন বিশ্বাস থেকেই তারা সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এই অবস্থানকে ট্রাইব্যুনাল রাজনৈতিক বিশ্বাস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

রায়ে বলা হয়, সামরিক সেবা প্রত্যাখ্যান করলে তাদের সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। ট্রাইব্যুনালের মতে, এই শাস্তির ঝুঁকি তাদের জন্য গুরুতর ক্ষতির বাস্তব আশঙ্কা তৈরি করে এবং যেহেতু এই ঝুঁকি রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেই আসতে পারে, তাই নিজ দেশে তারা কার্যকর সুরক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনাও কম।

ট্রাইব্যুনাল আরও উল্লেখ করেছে, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ রয়েছে। এ প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্তের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়ও রায়ে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি জাতিসংঘের তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। তবে ট্রাইব্যুনাল স্পষ্ট করেছে, এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করা তাদের দায়িত্ব নয় এবং আইসিসির মামলায় চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তরা আইনগতভাবে নির্দোষ বলে বিবেচিত হবেন।

পরিবারটি প্রায় এক দশক আগে বাবার কর্মভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় যায়। ২০২৪ সালে তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হলে তারা সুরক্ষা ভিসার আবেদন করলেও প্রথমে তা প্রত্যাখ্যাত হয়। পরে আপিলের পর ট্রাইব্যুনাল মনে করে, ইসরায়েলে ফেরত পাঠানো হলে তিন ভাই-বোন নির্যাতনের বাস্তব ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। তাই পুরো পরিবারকে সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..