স্মার্টফোনের স্ক্রিনে যেতেই বারবার স্টোরেজ ফুল নোটিফিকেশন সামনে আসছে। অনেকেই এ অবস্থায় চটজলদি করে অ্যাপ ডিলিট করে দেন। এতে হুট করে জরুরি ডেটা হারিয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। অ্যাপ ডিলিট না করেও অ্যান্ড্রয়েড ফোনে সহজেই অনেকটা বাড়তি জায়গা তৈরি করে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
অটো আর্কাইভ
এর মধ্যে সবচেয়ে সহজ কৌশল হলো অটো অ্যাপ আর্কাইভ ফিচার ব্যবহার করা। এই ফিচারে যেসব অ্যাপ অনেক দিন অব্যবহৃত রয়েছে, সেসব ডিভাইস থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে ফেলা যায়। এতে অ্যাপের ডেটা বা সেটিংসে তেমন কোনো পরিবর্তন হয় না। পরে আবার অ্যাপটি ডাউনলোড করলেই পুরোনো অবস্থায় ফিরে পাওয়া যায়।
অ্যান্ড্রয়েড স্টোরেজ
ফিচারটি সক্রিয় করতে গুগল প্লেস্টোর খুলে ডানদিকে ওপরের থ্রিডট প্রোফাইল আইকনে ট্যাপ করতে হবে। এরপর সেটিংস থেকে জেনারেল অপশনে গিয়ে অটোমেটিক্যালি আর্কাইভ অ্যাপস অপশনটি অন করে দিন। কাজটি করার পর থেকে ফোনে স্টোরেজ কমে এলে অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেম নিজেই কম ব্যবহৃত অ্যাপ স্বয়ংক্রিয় আর্কাইভে পৌঁছে দেবে।
অযাচিত মেমোরি
আরেকটি সহজ উপায় হলো অ্যাপের ক্যাশ ডিলিট করা। ক্যাশ হলো অস্থায়ী ফাইল, যা অ্যাপ দ্রুত চালু করতে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। সময়ের সঙ্গে এসব জমে অনেকটা স্টোরেজ দখল করে নেয়। তাই মাঝেমধ্যে সেটিংসে গিয়ে অ্যাপ অপশন থেকে জরুরি অ্যাপের ক্লিয়ার ক্যাশ অপশন ব্যবহার করলে ডিভাইসে বেশ কিছু জায়গা খালি হয়।
অর্থাৎ, স্টোরেজ কমে যাওয়া মাত্রই অ্যাপ ডিলিট করার প্রয়োজন নেই। অটো আর্কাইভ ও ক্যাশ ক্লিয়ার– এ দুটি সহজ পদ্ধতি ব্যবহার করলেই ফোনের স্টোরেজ অনেকাংশে ফাঁকা হবে। অন্যদিকে জরুরি অ্যাপ ও ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। আরেকটি জরুরি পদ্ধতি হলো সেটিংসের অ্যাপস অপশন থেকে গুগল প্লেস্টোরের স্টোরেজ ও ক্যাশ অংশে প্রবেশ করে ক্যাশ ও ইউজার ডেটা ক্লিয়ার করা। এতে ডিভাইসে অনেক জায়গা তৈরি হবে। হালকা হবে র্যাম। বাড়বে গতি।
এ জাতীয় আরো খবর..