মুন্সীগঞ্জে ৫ মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১৩, | ১৪:১৯:৪৩ |
মুন্সীগঞ্জে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার ও চোরাই ৫টি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

সোমবার (১৩ জুলাই) পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তাররা হলেন- নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নিতাইগঞ্জ বাপ্পী চত্বর এলাকার মো. সুমন (২৫), মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দক্ষিণ বেতকা এলাকার হৃদয় দেওয়ান (৩০) এবং একই উপজেলার আমতলী এলাকার সজীব পাইক (২৪)।

পুলিশ জানায়, গত ৯ জুলাই বিকেলে পদ্মা সেতু (উত্তর) থানার পশ্চিম কুমারভোগ চৌরাস্তার নুরানি জামে মসজিদের সামনে থেকে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বাসিন্দা মো. সজিবের একটি কালো রঙের মোটরসাইকেল চুরি হয়। 

এ ঘটনায় মামলার পর ডিবির একটি দল তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১২ জুলাই গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জ এলাকা থেকে চক্রের সদস্য মো. সুমনকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।

পরে সুমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টঙ্গীবাড়ীর বেতকা বাজার এলাকা থেকে হৃদয় দেওয়ানকে গ্রেপ্তার করে একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আমতলী এলাকা থেকে সজীব পাইককে গ্রেপ্তার করে একটি হাঙ্ক ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়, যা চোরাই সন্দেহে জব্দ করা হয়েছে।

অভিযান অব্যাহত রেখে লৌহজং উপজেলার গোয়ালীমান্দ্রা এলাকার একটি দর্জি দোকানের পেছন থেকে ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর ঘষামাজা করা অবস্থায় রেজিস্ট্রেশনবিহীন দুটি পালসার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলোর প্রকৃত মালিক শনাক্তে কাজ চলছে বলে জানায় পুলিশ।

ডিবি পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে মুন্সীগঞ্জসহ আশেপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে নম্বর প্লেট ও যন্ত্রাংশ পরিবর্তনের মাধ্যমে বিক্রি করার কথা স্বীকার করেছেন।

মোটরসাইকেল উদ্ধারের অভিযানের সময় লৌহজং উপজেলার গোয়ালীমান্দ্রা এলাকায় একটি দর্জি দোকানে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা ও ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আলাল ওরফে আলাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় তিনি পালিয়ে যান।

গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া মাদক ও অন্যান্য চোরাই মোটরসাইকেলের প্রকৃত মালিক শনাক্ত এবং চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে জানায় পুলিশ।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..