✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-২৮, | ০০:২৮:৪৬ |বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে শনিবার মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও পানামা। দুই দলের লক্ষ্য একেবারেই ভিন্ন। ইংল্যান্ডের সামনে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২ নিশ্চিত করার সুযোগ, আর ইতোমধ্যেই বিদায় নিশ্চিত হওয়া পানামা খেলবে শুধু সম্মান রক্ষার লড়াই।
প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে দারুণ শুরু করেছিল ইংল্যান্ড। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘানার জমাট রক্ষণ ভাঙতে না পেরে গোলশূন্য ড্র করে তারা। সেই ম্যাচে ৭৮.৮ শতাংশ বলের দখল রেখেও গোল করতে না পারা ইংল্যান্ডের জন্য বিশ্বকাপে নতুন এক হতাশার রেকর্ড। এমনকি দ্বিতীয়ার্ধে ঘানার প্রিন্স কোয়াবেনা আদুকে বক্সের ভেতরে ফেলে দিলেও ভিডিও সহকারী রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ না দেওয়ায় ভাগ্যও কিছুটা সহায় ছিল ইংলিশদের।
তবে দুটি ম্যাচ শেষে চার পয়েন্ট নিয়ে এখনও গ্রুপের শীর্ষে আছে থমাস টুখেলের দল। পানামাকে হারাতে পারলে এবং ঘানা যদি ক্রোয়েশিয়াকে দুই গোলের বেশি ব্যবধানে না হারায়, তাহলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই নকআউটে উঠবে ইংল্যান্ড। শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারলে শেষ ৩২-এ তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পাওয়ার সম্ভাবনাও থাকবে তাদের।
অন্যদিকে, টানা দুই ম্যাচ হেরে আগেই বিদায় নিশ্চিত হয়েছে পানামার। ঘানার কাছে হারের পর ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষেও ১-০ গোলে পরাজিত হয় তারা। ফলে এই ম্যাচে জিতলেও কোনো লাভ নেই। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম পয়েন্টের অপেক্ষা এখনও শেষ হয়নি মধ্য আমেরিকার দেশটির।
২০১৮ সালের বিশ্বকাপে একমাত্র দেখায় পানামাকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল ইংল্যান্ড। সেই স্মৃতি ইংলিশদের আত্মবিশ্বাস বাড়ালেও এবার পানামা অন্তত শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চাইবে।
ইংল্যান্ড শিবিরে অবশ্য কিছু দুশ্চিন্তা রয়েছে। রিস জেমস হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে কয়েকটি ম্যাচের জন্য ছিটকে গেছেন। ডেকলান রাইসও পুরোপুরি ফিট নন। তাই মাঝমাঠে কোবি মাইনুর সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে বুকায়ো সাকা ও মার্কাস রাশফোর্ডের শুরুর একাদশে থাকা নিয়েও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অনিশ্চয়তা রয়েছে।
পানামার সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা চোট। দলের গুরুত্বপূর্ণ মিডফিল্ডার আদালবের্তো কারাসকিয়া এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। অধিনায়ক আনিবাল গদয়ও পুরো ফিট নন। তাই রক্ষণাত্মক কৌশলেই ম্যাচ শুরু করতে পারেন কোচ থমাস ক্রিস্টিয়ানসেন।