✕

সর্বশেষ :
দিনে ৮ ঘণ্টা এসি চালালে মাসে কত টাকা বিল আসবে? বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা, আইনি ঝুঁকিতে এয়ার ফ্রান্স আট মাসে চাকরি নিয়ে বিদেশ পাড়ি সাড়ে ৪ লাখ জনের টিকিট নিয়ে সতর্কবার্তা, যাত্রীরা যা করলে দায় নেবে না রেলওয়ে একাদশে ভর্তি নিয়ে নতুন নির্দেশনা তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ স্কুলে ভর্তি: শ্রেণিভেদে কোন বিষয়ে কত নম্বরের পরীক্ষা সোমবার দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে আসছে ৮০টি নতুন লোকোমোটিভ: রেলমন্ত্রী

গোলের ‘সেঞ্চুরি’তে ৬৮ বছরের রেকর্ড ভাঙল বিশ্বকাপ ২০২৬

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-২১, | ১৭:৪০:০৯ |

২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই গোলের বন্যা বইছে। প্রায় প্রতিদিনই একের পর এক ম্যাচে জালের দেখা মিলছে, তৈরি হচ্ছে নতুন রেকর্ড। মাঠের খেলায় আক্রমণ আর গোলের ছন্দে এবারের আসর যেন আলাদা মাত্রা পেয়েছে।

এই ধারাবাহিকতায় ৬৮ বছরের পুরোনো এক কীর্তিকে ছুঁয়ে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো যৌথ আয়োজিত বিশ্বকাপ। শনিবার নেদারল্যান্ডসের ৫-১ গোলে সুইডেনকে হারানোর ম্যাচে টুর্নামেন্টের ১০০তম গোলটি করেন কোডি গাকপো। তার এই গোলেই মাত্র ৩৩ ম্যাচে শততম গোলের মাইলফলকে পৌঁছে যায় বিশ্বকাপ ২০২৬।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে এত দ্রুত ১০০ গোল হওয়ার ঘটনা সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল ১৯৫৮ সালে। সেই আসরেও ৩৩ ম্যাচে এই মাইলফলক স্পর্শ করা হয়েছিল। তবে সবচেয়ে দ্রুত এই কীর্তি এখনো ১৯৫৪ সালের সুইজারল্যান্ড বিশ্বকাপের, যেখানে মাত্র ২০ ম্যাচেই ১০০ গোল হয়ে গিয়েছিল।

এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ম্যাচপ্রতি গোলের গড় ৩.০২। এই ধারা অব্যাহত থাকলে পুরো ১০৪ ম্যাচ শেষে গোলসংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

গোলের এই ধারাবাহিকতার পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ সামনে এসেছে। নতুন অফিসিয়াল ম্যাচ বল ‘ট্রিওন্ডা’ নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেক গোলরক্ষকই বলটির অস্বাভাবিক গতি ও বাঁক সামলাতে সমস্যায় পড়ছেন, ফলে দূরপাল্লার শট থেকেও এসেছে দৃষ্টিনন্দন গোল।

এছাড়া ৪৮ দলের সম্প্রসারিত ফরম্যাটেও গোলসংখ্যা বেড়েছে। নতুন ও তুলনামূলক দুর্বল দলগুলো অংশ নেওয়ায় বড় ব্যবধানে জয়ের ম্যাচ বেড়েছে। জার্মানির কাছে কুরাসাওয়ের ৭-১ গোলের হার কিংবা কানাডার ৬-০ ব্যবধানে কাতারকে হারানোর মতো ফলাফল তারই উদাহরণ।

ম্যাচের পরিবেশও প্রভাব ফেলছে খেলায়। তীব্র গরম এবং বাধ্যতামূলক হাইড্রেশন বিরতির কারণে অনেক ম্যাচেই শেষ দিকে খেলোয়াড়দের ক্লান্তি দেখা যাচ্ছে। এতে রক্ষণভাগে ভুল বাড়ছে, আর সেই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা। টুর্নামেন্টে মোট গোলের প্রায় ২৯ শতাংশই এসেছে ৭৬ মিনিটের পর।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে তারকা ফুটবলারদের দুর্দান্ত ফর্ম। লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিক, কিলিয়ান এমবাপে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, আর্লিং হলান্ড, হ্যারি কেইনের গোল—সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ ২০২৬ এখন আক্রমণাত্মক ফুটবলের এক জমজমাট মঞ্চ।

সবকিছু মিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপ যেন গোলের উৎসবেই পরিণত হয়েছে। যেখানে প্রতিটি ম্যাচেই জালের দুলুনি যেন স্বাভাবিক দৃশ্য হয়ে উঠছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..