✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-২০, | ১০:৪৩:১৮ |ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে সবচেয়ে বড় আলোচনায় ছিলেন ম্যাথেউস কুনহা। দুইটি গোল করে তিনি শুধু স্কোরলাইন নয়, আক্রমণভাগে নিজের অবস্থানও শক্ত করেছেন। বক্সের ভেতরে তার পজিশনিং, দ্রুত ফিনিশিং আর সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ব্রাজিলকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেয়।
এই পারফরম্যান্সের পর প্রশ্ন উঠছে, তিনি কি ব্রাজিলের নতুন নির্ভরযোগ্য নাম হয়ে উঠছেন কি না। কারণ নেইমারের অনুপস্থিতিতে এমন একজন ফরোয়ার্ড দরকার, যিনি সুযোগকে গোল বানাতে পারেন, আর কুনহা সেই জায়গাতেই বার্তা দিয়েছেন।
অন্যদিকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র আবারও দেখিয়েছেন কেন তিনি বর্তমান ব্রাজিল আক্রমণের অন্যতম প্রধান শক্তি। শুধু গোল নয়, অ্যাসিস্ট, ড্রিবলিং আর ডিফেন্ডারদের টেনে বের করার ক্ষমতায় তিনি প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে দেন বারবার। বড় ম্যাচে চাপ সামলে কার্যকর থাকা তার সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠছে।
নেইমার না থাকায় ব্রাজিলের আক্রমণ এখন আর একক কোনো প্লে মেকারের উপর নির্ভর করছে না। বরং ভিনিসিয়ুস, কুনহা এবং অন্যান্য আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে তৈরি হচ্ছে একটি বেশি ফ্লুইড ও গতিময় কাঠামো। এতে কখনো কখনো ধারাবাহিকতা না থাকলেও আক্রমণের বৈচিত্র্য বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই নতুন ব্রাজিল এখনো পুরোপুরি সেট হয়নি, তবে সম্ভাবনা পরিষ্কার। কুনহার মতো স্ট্রাইকার যদি ধারাবাহিক হতে পারেন এবং ভিনিসিয়ুস যদি এই ফর্ম ধরে রাখেন, তাহলে সেলেসাওরা আক্রমণে ভয়ংকর রূপ নিতে পারে।
তবে প্রশ্নও থেকে যাচ্ছে, বড় দলের বিপক্ষে এই নতুন কম্বিনেশন কতটা কার্যকর হবে। কারণ নেইমারের মতো অভিজ্ঞ ম্যাচ নিয়ন্ত্রণকারী না থাকায় চাপের মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় এখনও কিছু অনিশ্চয়তা আছে।
সব মিলিয়ে ব্রাজিল এখন এক ধরনের ট্রানজিশন ফেজে। পুরোনো নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে নতুন আক্রমণভাগ গড়ার পথে এগোচ্ছে দলটি, আর সেই পথের প্রথম ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে কুনহা ও ভিনিসিয়ুসের পারফরম্যান্সেই।