তেহরানের বিপুল তহবিলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলো নীরব

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-১৮, | ১৮:২১:০১ |

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী ওয়াশিংটন এবং তার মিত্ররা তেহরানের জন্য ৩০০ বিলিয়ন (৩০ হাজার কোটি) ডলারের একটি তহবিলের অর্থায়ন নিশ্চিত করতে বাধ্য। বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট ও বিশ্ববাজারে অস্থিরতা তৈরি করা যুদ্ধের অবসানে বৃহত্তর সমঝোতার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগের কথা সামনে এসেছে। তবে তেহরানের জন্য বিপুল তহবিলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলো প্রতিশ্রুতি অস্পষ্ট।

চলতি সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমরা তাদের ওপর ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পর’ ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটির এই অর্থের প্রয়োজন হবে।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছিলেন, ইরানিরা এই তহবিলের ‘সুযোগ পেতে পারে’, যা উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থায়নে গঠিত হবে। তবে কোন কোন উপসাগরীয় দেশ এতে অংশ নেবে তা স্পষ্ট নয়। কারণ কোনো দেশই এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে এর জন্য প্রতিশ্রুতি দেয়নি।

বুধবার (১৭ জুন) ‘আল অ্যারাবিয়া ইংলিশ’-এর সাথে আলাপকালে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বলেন, এই তহবিল সম্পর্কে তাঁর কাছে ‘কোনো বিস্তারিত তথ্য নেই’। তবে তিনি উল্লেখ করেন, যুদ্ধ চলাকালীন উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ইরানের হামলার কারণে ‘আস্থার একটি বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বেইজিং সমঝোতার ফলস্বরূপ আমরা ইরানের সাথে আমাদের সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রাথমিক প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিলাম...সেটি কেবলই গতি পেতে শুরু করেছিল এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও এই জাতীয় বিষয়গুলোর সম্ভাব্য পথ উন্মোচন করছিল।’

‘আমার মনে হয় আমরা সেই অবস্থান থেকে আরও পিছিয়ে গেছি,’ উল্লেখ করে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেকোনো ধরনের অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার আগে আস্থা পুনর্গঠন করতে হবে। ‘আমরা এখন খুবই প্রাথমিক পর্যায়ে আছি।’

চলতি সপ্তাহে জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্পের সাথে এক বৈঠকে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি বলেছেন, চুক্তির পর ইরানে ‘বিশাল সুযোগ’ তৈরি হতে পারে, তবে তিনি এই তহবিল নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো মন্তব্য করেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে সেখানে বিশাল সুযোগ তৈরি হতে যাচ্ছে। আলোচনার পর ইরান ‘সব ধরনের বিনিয়োগের’ জন্য উন্মুক্ত হবে।

সূত্র : সিএনএন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..