✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

ঠান্ডা-সর্দিতে নাজেহাল? জেনে নিন প্রতিরোধের ঘরোয়া সহজ উপায়

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২৩, | ২২:১২:২৩ |

আবহাওয়া পরিবর্তন কিংবা হঠাৎ বৃষ্টি এই সময়ে অনেকেই ঠান্ডা-সর্দি, নাক বন্ধ, গলা ব্যথা কিংবা হাঁচি-কাশির সমস্যায় ভুগেন। হঠাৎ গরম থেকে বৃষ্টি, আবার কখনো ঠান্ডা বাতাস এমন পরিবর্তনে শরীর সহজেই দুর্বল হয়ে পড়ে। তবে সাধারণ ঠান্ডা-সর্দিতে কিছু ঘরোয়া উপায় দ্রুত আরাম দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঠান্ডা-সর্দি হলে শরীরকে বিশ্রাম দেওয়া সবচেয়ে জরুরি। পর্যাপ্ত ঘুম রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে বেশি করে পানি, গরম স্যুপ, লেবু পানি বা ভেষজ চা পান করলে শরীর হাইড্রেটেড থাকে এবং গলা আরাম পায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক ঠান্ডা-সর্দি প্রতিরোধে ঘরোয়া সহজ উপায়গুলো-

গরম পানির ভাপ নেওয়া

নাক বন্ধ থাকলে গরম পানির ভাপ নিতে পারেন। এতে শ্বাস নিতে সুবিধা হয় এবং নাকের বন্ধ ভাব কমে। চাইলে পানিতে সামান্য ইউক্যালিপটাস তেল বা মেনথল ব্যবহার করা যেতে পারে।

কুসুম গরম পানিতে গার্গল করা

গলা ব্যথা কমাতে কুসুম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে গার্গল করলে উপকার পাওয়া যায়। দিনে কয়েকবার এটি করলে গলার অস্বস্তি কমতে পারে।

মধু-আদার মিশ্রণ

মধু ও আদা ঠান্ডা-সর্দির পুরোনো ঘরোয়া প্রতিকার। এক চামচ মধুর সঙ্গে আদার রস মিশিয়ে খেলে কাশি কমতে সাহায্য করে এবং গলা নরম থাকে। তবে এক বছরের কম বয়সী শিশুকে মধু দেওয়া যাবে না।

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার

খাবারের দিকেও নজর রাখা জরুরি। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল যেমন : কমলা, মাল্টা, পেয়ারা কিংবা আমলকি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

তবে জ্বর দীর্ঘস্থায়ী হলে, শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে বা কয়েকদিনেও উপসর্গ না কমলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ সাধারণ ঠান্ডা-সর্দির আড়ালেও অন্য রোগ থাকতে পারে।

সূত্র : আনন্দবাজার

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..