✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

ব্যস্ত সময় পার করছেন মানিকগঞ্জের কর্মকাররা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২৩, | ১২:৫৬:০৮ |

সারা বছর মন্দা বাজার থাকলেও ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন মানিকগঞ্জের কর্মকাররা। প্রচণ্ড গরমে ঘাম ঝড়িয়ে হাতুড়ি পিটিয়ে দা, কাঁচি, ছুরি, কুড়াল, কোদাল, চাপাটিসহ নানা রকমের পণ্য তৈরি করছেন তারা। 

কালের বিবর্তনে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারের কারণে দিনদিন কমে যাচ্ছে কর্মকারদের তৈরি পণ্যের চাহিদা। তবে ঈদ মৌসুমে তাদের কদর বাড়ে। এসময় কেউ পুরানো ছুরি, চাপাতি মেরামত ও ধার দেওয়ার জন্য কর্মকারের কাছে ছুটে আসেন। অনেকে নতুন সরঞ্জাম কিনতে দোকানে ভিড় করেন। 

মানিকগঞ্জে কর্মকারদের কোন মার্কেট না থাকলেও জীবনের তাগিদে বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে তারা কাজ করে সংসার চালাচ্ছেন। মানিকগঞ্জ শহীদ সরণি সড়কের পাশে ফুটপাতে বসে এসব তৈরি করে বিক্রি করছেন তারা। 

কর্মকার নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা এখানে ছয় জন মিলেমিশে ব্যবসা করছি। কারও সঙ্গে কোন দ্বন্দ্ব নেই। প্রকার ভেদে দাম ভিন্ন। চাপাতি, বটি, দা তৈরিসহ ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।বড় ছুড়ি ভালো লোহারগুলো ১ হাজার থেকে ১২ শত টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়ে থাকে। ছুড়ি, চাপাতিসহ প্রায় সব পণ্যই দোকানে রেডিমেট পাওয়া যায়। এ কারণে দিন দিন
আমাদের চাহিদা কমে যাচ্ছে। ঈদের বেচা-কেনাই সারা বছড়ের ভরসা।

সরকারি জায়গা ফুটপাতে বসে দোকান করি তেমন কোন ঝামেলা নেই। তবে আগের সরকারের সময় প্রতিমাসে স্থানীয় নেতারা চাঁদা নিতো। বর্তমানে ভালো আছি। 

তিনি আরও বলেন, ঝড়বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করতে হয়। জানমালের কোন নিরাপত্তা নেই। সরকার যদি কোথাও একটি স্থায়ী জায়গার ব্যবস্থা করে দিতো তা হলে এই পেশার লোকজন যুগযুগ বেঁচে থাকতো।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..