২০২৫-২৬ বিপণন মৌসুমে ভারতে চিনি উৎপাদন বেড়েছে ৮ শতাংশ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-২০, | ১৪:১৯:৫৫ |
চলতি ২০২৫-২৬ বিপণন মৌসুমে ভারতে চিনি উৎপাদন ৮ শতাংশ বেড়েছে।

১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশটিতে চিনির মোট উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৭৩৯ লাখ টনে। উত্তর প্রদেশে উৎপাদন সামান্য কমলেও মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকে উল্লেখযোগ্য হারে ভালো ফলন হওয়ায় সামগ্রিক উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। খবর দ্য হিন্দু বিজনেসলাইন।

ন্যাশনাল ফেডারেশন অব কো-অপারেটিভ সুগার ফ্যাক্টরিজ লিমিটেডের (এনএফসিএসএফ) সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময় ভারতে চিনি উৎপাদন হয়েছিল ২ কোটি ৫৪৩ লাখ টন। অর্থাৎ গতবারের চেয়ে এবার উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ৮ শতাংশ। গত ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে দেশটিতে মোট ২ কোটি ৬০২ লাখ টন চিনি উৎপাদন হয়েছিল। বর্তমান মৌসুমের এখনো বেশ কিছুটা সময় বাকি থাকায় এর পরিমাণ আরো বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভারতে চিনি উৎপাদনে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে মহারাষ্ট্র। রাজ্যটিতে গত বছরের চেয়ে এবার ২৩ শতাংশ বেশি চিনি উৎপাদন হয়েছে। ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে চিনির উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ৯৯২ লাখ টনে, যা গত বছর ছিল ৮০৬ লাখ টন। একইভাবে তৃতীয় বৃহত্তম উৎপাদনকারী রাজ্য কর্ণাটকেও উৎপাদন ১৭ শতাংশ বেড়ে ৪৭১ লাখ টনে পৌঁছেছে।

দ্বিতীয় বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী রাজ্য উত্তর প্রদেশে এবার উৎপাদনের চিত্রে কিছুটা ভিন্নতা দেখা গেছে। রাজ্যটিতে গত বছরের তুলনায় এ বছর উৎপাদন ২ শতাংশ কমেছে। গত বছরের এ সময়ে উত্তর প্রদেশে উৎপাদন ৯০১ লাখ টন থাকলেও এবার তা কমে ৮৯২ লাখ টনে নেমেছে। তবে ব্যক্তিগতভাবে কোনো কোনো রাজ্যে উৎপাদন কমলেও জাতীয় পর্যায়ে চিনি আহরণের হার (রিকভারি রেট) আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে। চলতি মৌসুমে গড় আহরণের হার দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫৫ শতাংশে, যা গত বছর ছিল ৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

ভারতের চিনি শিল্পসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আগামী আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে তামিলনাড়ু ও কর্ণাটকে দ্বিতীয় পর্যায়ের উৎপাদন শুরু হলে মোট উৎপাদনের পরিমাণ আরো বাড়বে। বর্তমানে ভারতজুড়ে ২১টি চিনিকল চালু রয়েছে, যার মধ্যে বেশির ভাগই তামিলনাড়ু ও উত্তর প্রদেশে অবস্থিত। বাকি ৫২০টি কল এরই মধ্যে তাদের কাজ শেষ করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের এ বাড়তি উৎপাদন ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..