✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

গাড়ির ইঞ্জিন অয়েল কতদিন পর পরিবর্তন করা উচিত?

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-১৬, | ২১:০৯:৪২ |
আপনি কি এখনো আন্দাজে ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করেন? ভুল হলে ক্ষতি কিন্তু লাখ টাকার! ইঞ্জিন অয়েলকে বলা হয় গাড়ির ইঞ্জিনের “লাইফলাইন”। কারণ এটি ইঞ্জিনের প্রতিটি মুভিং পার্টকে লুব্রিকেট করে, অতিরিক্ত তাপ কমায় এবং ভেতরের ময়লা পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

 একটি সুস্থ ও স্মুথ ইঞ্জিন পারফরম্যান্স বজায় রাখতে সাধারণভাবে প্রতি ৩০০০–৩৫০০ কিলোমিটার বা ৩–৪ মাস পর (যেটি আগে আসে) ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করা উচিত।

বাস্তবতা হলো—
লো গ্রেড ফুয়েল, দেশের ট্রাফিকের অবস্থা, ঘন ঘন স্টপ-স্টার্ট ড্রাইভিং, ধুলাবালি, এসব কারণে অয়েল অনেক দ্রুত তার কার্যক্ষমতা হারায়।
 
সময়মতো অয়েল পরিবর্তন না করলে যা হতে পারে:
* ইঞ্জিনের ভেতরে ঘর্ষণ বেড়ে যায়
* অতিরিক্ত তাপ তৈরি হয়
* স্মুথ সাউন্ড নষ্ট হয়ে রাফ সাউন্ড শুরু হয়
* ধীরে ধীরে ইঞ্জিনের আয়ু কমে যায়

 অন্যদিকে নিয়মিত অয়েল পরিবর্তন করলে:
* ইঞ্জিন থাকে পরিষ্কার
* পারফরম্যান্স থাকে স্মুথ
* ফুয়েল এফিশিয়েন্সি বাড়ে
* ইঞ্জিন লাইফ দীর্ঘ হয়

প্রতি মাসে অন্তত একবার অয়েলের কালার ও লেভেল চেক করার অভ্যাস করুন, এটাই আপনাকে বড় খরচ থেকে বাঁচাতে পারে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..