✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-২৫, | ১৯:১৪:১৭ |পর্তুগালের ফুটবল ইতিহাসে এক সময়ের ঘনিষ্ঠ দুই সতীর্থ রিকাডো কোয়ারেসমা ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। স্পোর্টিং সিপির একাডেমিতে শুরু হওয়া সেই বন্ধুত্ব দুই দশক পেরিয়েও অটুট রয়েছে। একজন অনেক আগেই বুটজোড়া তুলে রেখেছেন, অন্যজন এখনও দাপটের সঙ্গে খেলছেন আন্তর্জাতিক ও ক্লাব ফুটবলে।
সাবেক তারকা রিকাডো কোয়ারেসমার বিশ্বাস, ২০২৬ বিশ্বকাপে পর্তুগালের একটাই লক্ষ্য ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে বিদায় জানানো।
৪১ বছর বয়সেও রোনালদোই পর্তুগাল জাতীয় দলের প্রধান ভরসা। অভিজ্ঞতা, ফিটনেস ও নেতৃত্বগুণে এখনও তিনি দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই তাকে ঘিরেই নতুন করে বিশ্বকাপ স্বপ্ন দেখছে পর্তুগাল।
কোয়ারেসমা বলেন, “এটাই সম্ভবত রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ। সবাই চায় সে শিরোপাটা জিতুক। এই দলের সেই সামর্থ্য আছে, তাই প্রত্যাশাও অনেক বেশি।”
তিনি আরও বলেন, “রোনালদোর মধ্যে এখনও সেই জয়ের ক্ষুধা রয়েছে। বড় ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেওয়ার ক্ষমতাও তার আছে।”
বর্তমান পর্তুগাল দলে তরুণ ও অভিজ্ঞ ফুটবলারদের মিশেল রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দলটির পারফরম্যান্সও বেশ আশাব্যঞ্জক। বিশেষ করে উয়েফা নেশন্স লিগ জয় তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।
এদিকে ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে আরেকটি বিশেষ আসর। কারণ, এই টুর্নামেন্টে দেখা যেতে পারে দুই কিংবদন্তি লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ষষ্ঠ বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ, যা ফুটবল ইতিহাসে এক অনন্য রেকর্ড।
মেসি ইতোমধ্যেই ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন এবং আবারও শিরোপার স্বপ্ন দেখছেন। অন্যদিকে, রোনালদোর সামনে এটি হতে পারে শেষ সুযোগ।
সব মিলিয়ে, ২০২৬ বিশ্বকাপ ঘিরে নতুন করে জমে উঠছে মেসি-রোনালদো দ্বৈরথ। একদিকে দ্বিতীয় শিরোপার খোঁজে মেসি, অন্যদিকে স্বপ্ন পূরণের শেষ মিশনে রোনালদো ফুটবল বিশ্ব অপেক্ষায় এক মহারণের।