ইসরায়েলের দাবি

আইআরজিসির গোয়েন্দা সদর দফতরে হামলা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-২৪, | ১৬:৪৩:৪২ |
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা ইরানে রাতভর চালানো বিমান হামলায় দেশটির ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষাণাগার ও বিভিন্ন সরকারি ভবন লক্ষ্যবস্তু করেছে।

লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে তেহরানে অবস্থিত ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) দুটি গোয়েন্দা সদর দপ্তর এবং ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের একটি কার্যালয় রয়েছে। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও দাবি করেছে, তেহরানসহ উত্তর ও মধ্য ইরানের মোট ৫০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল- ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মজুত করার ভূগর্ভস্থ স্থাপনা ও লঞ্চিং সাইট, ইরানি শাসনের নীতিনির্ধারণী ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনার অফিসসমূহ। এছাড়াও বিভিন্ন অস্ত্রাগার ও ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

আইডিএফ-এর দাবি, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তারা ইরানের আনুমানিক ৪৭০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারের মধ্যে ৩৩০টিই ধ্বংস বা অকেজো করে দিয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো লঞ্চার ভূগর্ভস্থ টানেলে আটকা পড়েছে কারণ বিমান হামলায় সেগুলোর প্রবেশপথ ধ্বংস করা হয়েছে।

ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানও পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। মঙ্গলবার সকালে তেল আবিবের একটি জনবহুল এলাকায় ইরানের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। ১০০ কেজি ওজনের বিস্ফোরক সমৃদ্ধ এই ক্ষেপণাস্ত্রটির আঘাতে তিনটি ভবন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং চারজন সামান্য আহত হয়েছেন।

এই সংঘাত এমন এক সময়ে তীব্র হয়েছে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তার প্রশাসন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধ বন্ধের জন্য আলোচনার চেষ্টা করছে। তবে ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরপরই ইসরায়েলি বিমান বাহিনী তেহরানে আইআরজিসির প্রধান নিরাপত্তা সদর দপ্তরে নতুন করে হামলা চালায়।

ইসরায়েলের দাবি, এই সদর দপ্তরটি বেসামরিক এলাকায় স্থাপন করা হয়েছিল এবং এখান থেকেই আঞ্চলিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হতো।

ইসরায়েলি বাহিনী ঘোষণা দিয়েছে যে, তারা ইরানের অবশিষ্ট ১৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংস না করা পর্যন্ত তাদের অভিযান অব্যাহত রাখবে। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..