✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-২৪, | ১৬:৪২:১২ |ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায়। সৈকতের জিরো পয়েন্টে ছাড়াও তিন নদীর মোহনা, লেম্বুর বন, শুটকি পল্লী, ঝাউ বাগান ও গঙ্গামতিসহ সকল দশর্নীয় স্পর্টগুলোতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
আগতরা পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে গাঁ ভাসিয়ে মিতালীতে মেতেছেন বেশিরভাগ পর্যটক। অনেক পর্যটক বালু খেলায় মেতেছেন। অনেকে সৈকতের বেঞ্চিতে বসে সমুদ্রের তীড়ে আছড়ে পড়া ঢেউসহ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানান ঈদ উপলক্ষে অধিকাংশ হোটেল-মোটেলগুলো বুকিং হয়ে গেছে। আশা করছি ২৮ তারিখ পর্যন্ত এমন অবস্থা থাকবে।
এদিকে পর্যটকদের ভীড়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও বেড়েছে কর্মচাঞ্চল্য। বুকিং রয়েছে শতভাগ হোটেল-মোটেল। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর রয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
পর্যটক তানিম বলেন, একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দেখার সুযোগ একমাত্র কুয়াকাটায়, যা সত্যিই আনন্দদায়ক। এছাড়া একসঙ্গে এত মানুষ আমি এর আগে দেখিনি। যদিও এর আগে বেশ কয়েবার এসেছি। এবার ঈদের দিনের ছুটিতে পরিবার নিয়ে এসেছি। সমুদ্রের বিশালতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।
পর্যটক তুহিন বলেন, তারা ১০ জন বন্ধু মিলে প্রথমবারের মতো কুয়াকাটায় আসেন। এখানে এসে সব পর্যটন স্পষ্টগুলো ঘুরেছেন। তাদের সবকিছুই ভলো লোগেছে, কিন্তু হোটেল ভাড়া এবং খাবারের দাম কিছুটা বেশি মনে হয়েেছে।
ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা টোয়াক’র সাধারণ আসাদুজ্জামান মিরাজ বলেন, ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসব পর্যটকরা কুয়াকাটায় এসেছেন। নিয়মিত পর্যটক থাকলে পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা পূর্বের লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবে।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মো.হাবিবুর রহমান বলেন, আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।