সর্বশেষ :
ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে কর্মব্যস্ত মানুষ, দেরিতে ট্রেন ছাড়ার অভিযোগ ইরান যুদ্ধ: জরুরি ‘কোবরা’ বৈঠক ডেকেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব অর্থনীতি বড় হুমকির মুখে: আইইএ প্রধান বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম, চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে হতাশা থেকে হুমকি দিচ্ছে তারা : ইরানের প্রেসিডেন্ট ট্যাঙ্কার যুদ্ধের দুঃস্বপ্ন, হরমুজে ফের ডুববে মার্কিন আধিপত্য? সংঘাতমুখী অবস্থান নিচ্ছে ইরানের নতুন নেতৃত্ব তিন সপ্তাহের হামলায় যা বোঝা গেল, আসলে কী চায় যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল? ইরান লন্ডনে হামলা চালাতে সক্ষম, ইসরায়েলের এমন দাবি নাকচ করল যুক্তরাজ্য হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রতিরক্ষা ঘাঁটি গুঁড়িয়ে না দেওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে: মার্কিন অর্থমন্ত্রী

তিন সপ্তাহের হামলায় যা বোঝা গেল, আসলে কী চায় যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল?

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-২৩, | ১০:৫৪:১৫ |

ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধে তিন সপ্তাহে যে লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে, সেগুলো বিশ্লেষণ করলে একাধিক উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত মিলছে। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো একক চূড়ান্ত লক্ষ্য স্পষ্ট নয়, বরং কৌশলগত অগ্রাধিকার বদলের ছবি সামনে আসছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কখনো সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস, কখনো নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করা, আবার কখনো অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা তৈরির দিকে মনোযোগ দিয়েছে। এতে বোঝা যায়, যুদ্ধের চূড়ান্ত পরিণতি নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা নেই।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের বিশ্লেষক জন অল্টারম্যান বলেন, বিভিন্ন লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে যেকোনো সময় হামলা থামিয়ে বিজয়ের দাবি করার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে ইরানের প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয় বলেও তিনি সতর্ক করেন।

জার্মান ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাফেয়ার্সের হামিদরেজা আজিজির বিশ্লেষণে যুদ্ধটি তিন ধাপে এগিয়েছে। প্রথম ধাপে সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে শক অ্যান্ড অউ ধাঁচের হামলা চালানো হয়। দ্বিতীয় ধাপে নিরাপত্তা কাঠামো দুর্বল করতে আইআরজিসি সদর দপ্তর, বাসিজ বাহিনী ও পুলিশ স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানা হয়। তৃতীয় ধাপে গ্যাসক্ষেত্রে হামলার মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি করার কৌশল দেখা গেছে।

এদিকে মিসাইল, ড্রোন ও নৌ সক্ষমতার ওপর বড় ধরনের আঘাতের দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে মার্কিন ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স ডিরেক্টর তুলসী গ্যাবার্ড সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনো অক্ষত এবং তারা এখনো প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল বিমান হামলা দিয়ে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি ধ্বংস করা সম্ভব নয়। আইএইএ প্রধান রাফায়েল গ্রসি আগেই এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়েও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে পার্থক্যের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক সক্ষমতা ধ্বংসে দুই দেশ একমত হলেও, শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের প্রশ্নে তাদের অবস্থান এক নয়।

সোর্সঃ আল জাজিরা

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..