আল-জাজিরার বিশ্লেষণ

ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা হলে যে ক্ষতির মুখে পড়বে গোটা মধ্যপ্রাচ্য

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-২২, | ১৭:০৭:৩৭ |

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে ভয়াবহ হামলা চালিয়ে ইরানের বিদ্যুৎখাত ধ্বংস করে ফেলা হবে। 

এই আল্টিমেটামের পর ইরানও কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র এব্রাহিম জোলফাগারি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত পানিশোধনাগার (ডিস্যালাইনেশন প্ল্যান্ট) এবং তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামোতেও হামলা চালাবে ইরান।

এ বিষয়ে একজন আঞ্চলিক বিশ্লেষক বলেছেন, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি ব্যাপকতর অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সংঘাতের সূত্রপাত ঘটাতে পারে।

আরব পার্সপেক্টিভস ইনস্টিটিউটের জেইদোন আলকিনানি বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা তৈরি হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালাতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, “যদি এমন হামলা চালানো হয়, তবে আমরা দুই স্তরের সংঘাতের আশঙ্কা করছি। একটি হলো- অর্থনৈতিক ও জ্বালানি-সম্পর্কিত এবং দ্বিতীয়টি পরিবেশগত।”

আলকিনানি বলেন, এর প্রভাব অভ্যন্তরীণভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে এবং বিশ্বব্যাপী উভয় ক্ষেত্রেই অনুভূত হবে।

তিনি উভয় পক্ষের সামরিক কৌশলে একটি পরিবর্তনের দিকেও ইঙ্গিত করেন। তিনি বলেন, সংঘাতের শুরুর দিকে লক্ষ্যবস্তুগুলো আরও স্পষ্ট এবং উদ্দেশ্যগুলো আরও সীমিত ছিল।

তিনি বলেন, “এখন আরও বিশৃঙ্খল প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেননা, সাম্প্রতিক ইরানি প্রতিক্রিয়াগুলোতে শুধু ইসরায়েলি বা মার্কিন লক্ষ্যবস্তুর ওপর মনোযোগ না দিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোকে প্রভাবিত করে এমন হামলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।”

তিনি পরিস্থিতিটিকে ক্রমবর্ধমান পারস্পরিক বলে বর্ণনা করেছেন এবং ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তেল বা জ্বালানি স্থাপনায় হামলা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলতে পারে। 


সূত্র: আল-জাজিরা

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..