চট্টগ্রামের খান পরিবারে জন্ম নাফিস ইকবাল খান ও তামিম ইকবাল খানদের। তাদের বাবা ছিলেন ক্রীড়া সংগঠক ও ফুটবলার ইকবাল খান। অন্যদিকে চাচা হিসেবে রয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান। সবমিলিয়ে বেশ পরিবার ছিল তাদের।
তবে সময়ের পরিক্রমায় এক ছাদের নিচ থেকে সবাই শিফট হয়েছেন ভিন্ন ভিন্ন গন্তব্যে। তবে যে যেখানেই থাক না কেন ঈদ আসলে যেন খান পরিবারে বসে অন্যরকম আবাহাওয়া। এবার ঈদেও যেন থাকছে তেমনটি। ঢাকা পোস্টের সঙ্গে আলাপকালে নাফিস ইকবাল জানান বিস্তারিত।
নাফিস বলছিলেন, ‘হ্যাঁ, আলহামদুলিল্লাহ। আমাদের পরিবার তো অনেক বড়। আগে আমরা কিন্তু সবাই এক বাসাতেই থাকতাম। এরপর বড় চাচা বাসা পরিবর্তন করে অন্য জায়গায় গিয়েছে। আকরাম চাচা অন্য জায়গায় থাকেন। তবে আগে যে আমেজটা ছিল সেটা না থাকলেও কিন্তু একসাথে থাকি।’
‘তাদের বাসায় যায় দাওয়াত খাই ঈদের সময়। আগে যখন ছয়টা পরিবার আমরা একসাথে থাকতাম অনেক বেশি এনজয় করতাম। আমরা অনেক বড় ফ্যামিলি যেহেতু, বাচ্চারা থাকত অনেক। তবে এখনো একসাথে খেলাধুলা হয় ঈদের সময়। যে কারণে ঈদের সময় ওইভাবে করেই চট্টগ্রামে আসা সবার সাথে থাকা হয়।’
এবারের ঈদেও পারিবারিকভাবে খেলাধুলা থাকবে জানিয়ে নাফিস বলেন, ‘এখন পর্যন্ত এভাবে কোনো (খেলাধুলা নিয়ে) প্ল্যান জানি না। তবে সবার সাথে ওইভাবে যোগাযোগ কথা হয়েছে খেলাধুলার বিষয়ে। অবশ্যই কিছু না কিছু থাকবে এটা এখন বাচ্চারা আয়োজন করে আগে আমরা করতাম।’
‘তামিম হয়তো এবার ঢাকায় ঈদ করবে। আকরাম চাচা এসেছেন, আমি চট্টগ্রামে আছি সবার সাথে দেখা হবে আলাপ হবে। তবে ছোটবেলায় সবাই একসাথে থাকতাম। এখন আসলে এটা খুব মিস করি। একসাথে ইফতার করা আনন্দময় ছিল ঈদের দিনও সকালে আমরা নাস্তা বা খাওয়া-দাওয়া করতাম। ফুপি ছিলেন ভাইরা আছেন সবার সাথে আমাদের ওই ভাবেই সময় কাটতো। এখনো দাওয়াত আছে কিন্তু দূরে দূরে যেতে হয় এই আর কি।’
বড় হয়ে দায়িত্ব বাড়ে সকলের, যে কারণে শৈশবের ঈদ অন্যদের মতো মিস করেন নাফিসও, ‘এখন বড় হয়ে আসলে বাচ্চাদের জন্য চিন্তা করা হয় বেশি। যখন ছোট ছিলাম তখন মনে হতো কখন বড় হব। আমার কাছে এখন মনে হয় যে ছোট থাকতেই বেশি আনন্দের, ছোট থাকতেআ জীবনটা সুন্দর ছিল।’
এ জাতীয় আরো খবর..