মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে বল সংকটে ইংলিশ ক্রিকেট বোর্ড

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-২০, | ১৪:৫৪:৩১ |
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বিপাকে পড়েছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। নতুন মৌসুম ‍শুরু আগে ডিউক বল সংকটে ভুগছে তারা।

আগামী ৩ এপ্রিল থেকে মাঠে গড়াবে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট লিগ, যেখানে অপরিহার্য ডিউক বল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক সংঘাতের জেরে ডিউক বলের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বললেই চলে! ফলে ডিউক বলের সরবরাহ বাধাগ্রস্থ হওয়ায় বল সংকটে পড়ছে ইসিবি।

ডিউক বল তৈরির প্রক্রিয়াটি বেশ দীর্ঘ এবং জটিল। স্কটল্যান্ডের ‘অ্যাবাডিন অ্যাঙ্গাস’ জাতের গরুর চামড়া প্রথমে প্রক্রিয়াজাত হয় ইংল্যান্ডের চেস্টারফিল্ডে। এরপর সেই চামড়া পাঠানো হয় দক্ষিণ এশিয়ায়, যেখানে কারিগররা হাতে সেলাই করে বলের রূপ দেন। 

সবশেষে লন্ডনের ওলথামস্টো কারখানা থেকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এই বল। এই পুরো প্রক্রিয়ায় পণ্য আনা-নেওয়ার প্রধান রুট হলো মধ্যপ্রাচ্য। 

কিন্তু চলমান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে এশিয়ার কারখানাগুলোতে বল তৈরি হয়ে পড়ে থাকলেও তা সময়মতো লন্ডনে পৌঁছাতে পারছে না।



চাহিদার তুলনায় অর্ধেক সরবরাহ ডিউক বল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘ব্রিটিশ ক্রিকেট বলস লিমিটেড’-এর মালিক দিলিপ জাজোদিয়া বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। 

তিনি জানান, প্রতি মৌসুমে গড়ে ৪ থেকে ৫ হাজার বলের প্রয়োজন হলেও এবার ক্লাবগুলোকে চাহিদার মাত্র অর্ধেক বা ৫০ শতাংশ বল সরবরাহ করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

ডেইলি মেইলকে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে আমরা বড় ধরনের সংকটে পড়েছি। উপমহাদেশের কারখানাগুলোতে আমাদের প্রচুর বল প্রস্তুত রয়েছে, কিন্তু এয়ারলাইনগুলো পণ্য বহন করছে না।

আকাশচুম্বী পরিবহন খরচ যুদ্ধের প্রভাবে শুধু বলের সংকটই নয়, বেড়েছে পরিবহন খরচও। জাজোদিয়া জানান, আগে ১২০টি বলের এক বাক্স পরিবহনে কেজিপ্রতি খরচ হতো প্রায় ৫ ডলার। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ ডলারে। তার ভাষায়, বেশিরভাগ বলই মধ্যপ্রাচ্য দিয়ে যায়, কিন্তু সেখানে হঠাৎ করে রকেট হামলা শুরু হওয়ায় বড় সমস্যা তৈরি হয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..