✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

নাগরিকদের ‘দ্রুত’ ইরান ছাড়ার নির্দেশ ভারতের

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-২৪, | ১১:১২:৫১ |
ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আশঙ্কার মুখে তেহরানে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের অবিলম্বে দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ভারত। 

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক জরুরি সতর্কবার্তায় সে দেশে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের বাণিজ্যিক ফ্লাইট বা অন্য যে কোনো মাধ্যমে দ্রুত ইরান ত্যাগের পরামর্শ দিয়েছে।

তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে, ইরানের বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী ইরানে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার ভারতীয় নাগরিক অবস্থান করছেন। 

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যারা এখনো ইরানে রয়েছেন, তারা যেন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেন এবং সব ধরনের বিক্ষোভ বা গণজমায়েত এড়িয়ে চলেন। এছাড়া স্থানীয় পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে এবং নিয়মিত দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতেও নাগরিকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এই সতর্কবার্তাটি এমন এক সময়ে এল যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইসরাইল সফরের প্রস্তুতি চলছে। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই সফরকে একটি ‘নতুন জোট’ গঠনের অংশ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যা মূলত মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিকূল শক্তিগুলোকে মোকাবিলায় কাজ করবে। তবে ইসরাইলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বাড়ালেও ভারত ঐতিহাসিকভাবে ইরানের সঙ্গেও সুসম্পর্ক বজায় রেখে আসছিল, বিশেষ করে চাবাহার বন্দর উন্নয়নের মতো কৌশলগত প্রকল্পে দুই দেশ অংশীদার।

বর্তমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে মার্কিন হামলার সম্ভাবনা জোরালো হওয়ায় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই নয়া দিল্লি এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: গালফ নিউজ।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..