আক্রান্ত হলে আশপাশের সব মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-০৭, | ১৯:৩২:০৩ |
পরোক্ষ আলোচনার বৈঠক শেষ করেই পুনরায় পাল্টাপাল্টি হুমকিতে লিপ্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তেহরানকে আরো দুর্বল করতে দেশটির তেল রপ্তানিকে টার্গেট করেছে ওয়াশিংটন, এই জ্বালানি পরিবহনে যুক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বাড়িয়ে দিয়েছে উত্তেজনা। 

পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানও। আক্রান্ত হলে পশ্চিম এশিয়ায় সব মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে টার্গেট করা হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) কাতারের রাজধানী দোহায় 'আল জাজিরা ফোরাম'-এর ১৭তম আসরের এক পার্শ্ববৈঠকে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। খবর প্রেস টিভির।

আব্বাস আরাকচি সতর্ক করে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো আগ্রাসন চালায়, তবে আশপাশের আমেরিকান সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। এসব ঘাঁটি আমাদের নাগালের মধ্যেই আছে।’

তিনি বলেন, তেহরান প্রতিবেশী দেশগুলোর ভূখণ্ডে আক্রমণ করবে না; বরং যেখানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতেই আঘাত হানবে। ইরানি সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো মুহূর্তে যেকোনো আক্রমণের দাঁতভাঙা জবাব দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

ইরানের এ শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র শুরু থেকেই স্পষ্ট করে বলেছে যে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনার সুযোগ নেই, কারণ এটি সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলক বিষয় এবং যেকোনো আলোচনার আওতার বাইরে।

তিনি আরো বলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা ইরানের একটি অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং এ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকা উচিত। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এমনকি সামরিক হামলা চালিয়েও ইরানের এ সক্ষমতা নষ্ট করা সম্ভব হয়নি।

আব্বাস আরাকচি স্পষ্টভাবে জিরো-পারসেন্ট ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ধারণা প্রত্যাখ্যান করে বলেন, বিষয়টি আলোচনার পরিধির বাইরে।

বক্তব্যের অন্য এক অংশে তিনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু আলোচনার নতুন ধাপের কথা উল্লেখ করেন, যা একদিন আগে ওমানের রাজধানী মাসকটে শেষ হয়েছে।

তিনি আলোচনাটিকে একটি ‘ভালো শুরু’ হিসেবে বর্ণনা করলেও সতর্ক করে দেন যে, আস্থা তৈরির জন্য সামনে একটি দীর্ঘ পথ বাকি আছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই আলোচনা ছিল পরোক্ষ এবং তা শুধু পরমাণু ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ ছিল।

তেহরান বারবার জোর দিয়ে বলেছে যে, দৃশ্যমান অর্থনৈতিক সুবিধা নেই এমন কোনো চুক্তির বাস্তব কোনো মূল্য নেই। ফলে আলোচনার সময়কাল এবং এর ফলাফল ইরানের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

পরমাণু কর্মসূচি ইস্যুতে ইরান নিজের মাটিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার আইনি অধিকারের ওপর অনড় আছে এবং বিষয়টিকে আলোচনার চূড়ান্ত সীমা হিসেবে অভিহিত করেছে। তেহরানের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, যেকোনো সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা কেবল তখনই বিবেচনা করা হবে যখন এ অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া হবে। এর বাইরে যেকোনো পূর্বশর্তকে অন্য পক্ষের অসততার লক্ষণ হিসেবে দেখা হবে।

জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে ইরান এবং এর পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে মার্কিন-ইসরাইলি বিমান হামলার আগে ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে ইরান পাঁচ দফা আলোচনা করেছিল।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..

Dhaka Forecast & Prayer Schedule

--°C
Loading...
💧 Humidity
--%
🌬 Wind
-- km/h

3-Day Forecast

Prayer Time

🕌 Fajr 🕌 Dhuhr
-- --
🕌 Asr 🕌 Maghrib
-- --
🕌 Isha
--
Loading countdown…
দেশ ও মুদ্রা ১ ইউনিট = টাকা পরিবর্তন
⏳ Currency data loading...