গর্ভধারণ কেবল আনন্দের সময় নয়, এটি শরীরে নানা পরিবর্তনেরও কারণ হয়ে ওঠে। এই সময় অনেক মহিলার মধ্যে ‘জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস’ দেখা দিতে পারে। সাধারণত গর্ভাবস্থার ২৪ থেকে ২৮ সপ্তাহের মধ্যে এটি শুরু হয়। হরমোনের পরিবর্তনের কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায় এবং শরীরের ইনসুলিন ব্যবহার কমে যায়।
চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদরা বলছেন, খুব বেশি চিন্তার কিছু নেই। সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চললে জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তারা এমন কিছু খাবারের পরামর্শ দিচ্ছেন, যা মা ও শিশুর জন্য উপকারী:
মুরগির মাংস: প্রোটিন সমৃদ্ধ মুরগির মাংস মা ও শিশুর পুষ্টি পূরণ করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
শাকসবজি: ফাইবার ও খনিজ সমৃদ্ধ শাক রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে। প্রতিদিন অন্তত এক বেলা শাক খাওয়া উচিত।
আটার রুটি: ভাত কম খাওয়ার পরামর্শ থাকলেও দিনে অন্তত একবার আটার রুটি খেলে রক্তের সুগার ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে।
ওটস: উচ্চ ফাইবারযুক্ত ওটস রক্তে সুগারের দ্রুত বৃদ্ধি রোধ করে এবং কোলেস্টেরল কমায়। সকালের নাশতায় ওটস কার্যকর।
ব্রকোলি: ফাইবার ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ব্রকোলি রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখে, হজম সহজ করে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
মনে রাখতে হবে, জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস আতঙ্কিত হওয়ার বিষয় নয়। সঠিক খাবার, নিয়মিত চেকআপ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ ও নিরাপদ থাকতে পারেন।
সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে
এ জাতীয় আরো খবর..