সর্বশেষ :
হিরোশিমা-নাগাসাকি হামলার ৮১ বছর: বর্তমান বিশ্বে পারমাণবিক পরিস্থিতি কি? বৃষ্টিতে ভেসে গেল ম্যাচ, সরাসরি বিশ্বকাপের স্বপ্নও শেষ আয়ারল্যান্ডের সূচকের উত্থানে পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা সারাদিন ফুরফুরে থাকতে সকালটা শুরু করবেন যেভাবে আড়াই বছর পর ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ১১২ মরদেহ সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশের বিরুদ্ধে একটি দল চক্রান্ত করছে : রিজভী আইআরজিসির সংশ্লিষ্ট ইরাকি এয়ারলাইন্সের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ কমে যাওয়ার খবর ‍উড়িয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনই মুসলিম বিশ্বের প্রধান ইস্যু, সমর্থন অটুট রাখবে ইরান

কেন কষ্টের জীবন বেছে নেন সোহা, যা বললেন অভিনেত্রী

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৮-২৮, | ০৬:২৯:২৮ |

পতৌদি পরিবারের নবাব ভারতের সাবেক ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মনসুর আলি খান পতৌদি ও অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের মেয়ে সোহা আলি খান বেশ কিছু হিন্দি ও বাংলা সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তিনি এখন বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে পরিচিত মুখ।

 

কিন্তু একটা সময়ে আর পাঁচজন সাধারণ ছেলেমেয়ের মতোই আর্থিক লড়়াই করতে হয়েছিল এ অভিনেত্রীকে। বাড়িভাড়া দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হতো তাকে। সম্প্রতি একটি পডকাস্টের এক সাক্ষাৎকারে সে কথা জানিয়েছেন সোহা আলি খান।

‘লন্ডন স্কুল অব ইকনমিকস অ্যান্ড পলিটিকাল সায়েন্স’ থেকে স্নাতকোত্তর করে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। অভিনয়জগতে আসার আগে একটি ব্যাংকে কাজ করতেন সোহা। চাকরির জন্য মুম্বাইয়ে এসে একটি ভাড়াবাড়িতে থাকতে শুরু করেছিলেন তিনি, যা বেতন পেতেন প্রায় পুরোটাই বাড়িভাড়া দিতে বেরিয়ে যেত তার।

সোহা আলি বলেন, তার মাসিক বাড়িভাড়া ছিল ১৭ হাজার টাকা। বছরে সেই বাড়িভাড়ার পরিমাণ দাঁড়ায় দুই লাখ চার হাজার টাকা। আর আমার বার্ষিক আয় ছিল দুই লাখ ২০ হাজার টাকা। তাই শেষ পর্যন্ত কিছুই সঞ্চয় হতো না তার।

সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে হয়েও কেন এমন জীবন বেছে নিয়েছিলেন সোহা আলি খান? অভিনেত্রী বলেন, আমি স্বাধীন জীবনযাপন করতে চেয়েছিলাম। নিজে রোজগার করলে নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নেওয়া যায়। অন্য কারও কথা মেনে চলার প্রয়োজন পড়ে না।

 

চাকরি করতে করতেই সোহা অভিনয়ে চলে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বাবা-মা এ সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন কিনা, তা নিয়ে ধন্দে ছিলেন ঠিকই। কিন্তু ততদিনে তিনি আর্থিকভাবে সক্ষম। তাই এ নিজের সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন সোহা।

নিজে স্বাধীন হলেও পরিবারের জন্যই নিরাপত্তা বোধ করতেন তিনি। অভিনেত্রী বলেন, আমি রোজগার করছিলাম ঠিকই, তবে আমার একটা সুবিধা তো ছিলই। আমার কিছু দরকার পড়লে, আমি আমার বাবা-মায়ের থেকে সাহায্য পেতাম। এ সুবিধা অন্যেরা পায় না। তাই কোথাও গিয়ে সেটি তো আমার আত্মবিশ্বাসকে জোরদার করেছিল।


শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..