✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি, শুনানি ২১ অক্টোবর

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৮-২৭, | ০৪:৪০:৩১ |

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আগামী ২১ অক্টোবর এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ শুনানির জন্য এই দিন ধার্য করেন।

শুনানী শেষে আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের বিএনপির আইনজীবী জয়নুল আবেদিন বলেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি এই তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের সমস্ত বিচার ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে, সমস্ত মানুষের অধিকার খর্ব হয়েছে। এজন্য আপিল বিভাগে আপিল করেছি।

এ ছাড়াও আগামী ২১ অক্টোবর আদালত এ বিষয়ে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে রিভিউ শুনানীতে প্রধান বিচারপতি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে কার্যকর সমাধান চায় আপিল বিভাগ। যাতে এটি বারবার আর বিঘ্নিত না হয়।

শুনানীতে তিনি আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে দিয়ে সাময়িক সমাধান দিতে চায় না আপিল বিভাগ। নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে কার্যকর সমাধান চায় আপিল বিভাগ। যাতে এটি দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে সদূরপ্রসারী প্রভাব রাখে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে বিএনপি, জামায়াতসহ কয়েকজন বিশিষ্টজন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে রিভিউ আবেদন করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ। ওই রায়ের পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছরের অক্টোবরে আবেদন করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়াও আবেদন করেন জামায়াতে ইসলাম, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি।

শুনানিতে আইনজীবীরা জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের আপিল শুনানিতে যে ৭ জন বিচারপতি ছিলেন, তাদের মধ্যে ৪ জন বাতিলের পক্ষে ছিলেন। পরে তাদের পর্যায়ক্রমে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। কিন্তু বাকি তিনজন বাতিলের পক্ষে ছিলেন না, ফলে তাদের প্রধান বিচারপতি হওয়ার সুযোগ হয়নি।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..