ব্রাজিল-পর্তুগালের বিদায়ে বিপাকে দেশের জার্সি ব্যবসায়ীরা, ভরসা শুধু মেসি ও আর্জেন্টিনায়

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১১, | ১৬:০৪:১৫ |

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই ব্রাজিল ও পর্তুগালের বিদায় বাংলাদেশের জার্সির বাজারে বড় প্রভাব ফেলেছে। ঢাকার বিভিন্ন স্পোর্টস জোন ও জার্সির দোকানগুলোতে বিক্রি কমে যাওয়ায় অনেক ব্যবসায়ী লোকসানের মুখে পড়েছেন। তবে বাজারে এখনো সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে লিওনেল মেসি ও আর্জেন্টিনার জার্সির। পাশাপাশি কিছু কনসেপ্ট জার্সিও বিক্রি ধরে রাখতে ভূমিকা রাখছে।

দেশের জনপ্রিয় স্পোর্টস গিয়ার ও জার্সি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

'ডিয়ার ফ্রেন্ডস' প্রতিষ্ঠানের মালিক লিটন রুবেল বলেন, বিশ্বকাপের প্রায় ছয় মাস আগে থেকেই জার্সি বাজারে আসতে শুরু করে। অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীরা টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই মূল স্টক বিক্রির পরিকল্পনা করেন। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েন তারা, যারা বিশ্বকাপ চলাকালে বেশি দামে নতুন স্টক তোলেন।

তার ভাষ্য, বড় কোনো দল টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিলেই সেই দলের জার্সি বিক্রি প্রায় থেমে যায়। এবার ব্রাজিল ও পর্তুগালের বিদায়ে অনেক ব্যবসায়ীর পুঁজি আটকে গেছে। বিশ্বকাপ যত এগোয়, জার্সির বিক্রিও তত কমতে থাকে। তাই আগেভাগে বাজার বিশ্লেষণ করেই ব্যবসা করা উচিত।

সগ্ধফদ

তিনি জানান, ব্রাজিলকে নরওয়ে হারানোর পর নরওয়ের জার্সির চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যায়। একইভাবে কিলিয়ান এমবাপ্পের পারফরম্যান্সের কারণে ফ্রান্সের জার্সির বিক্রিও বেড়েছে।

অন্যদিকে ক্লথিস্টের মালিক তানভির বলেন, বাংলাদেশের বাজারে আর্জেন্টিনা, মেসি ও বার্সেলোনার সমর্থক সবচেয়ে বেশি। সে কারণেই তারা শুরু থেকেই এসব জার্সির ওপর বেশি গুরুত্ব দেন।

তার মতে, অনেক ব্যবসায়ী বাজার বিশ্লেষণ না করেই অন্য দলগুলোর জার্সি বেশি পরিমাণে মজুত করেন। ব্রাজিল ও পর্তুগালের বিদায়ের পর তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন। যদিও সামগ্রিকভাবে জার্সির বিক্রি কিছুটা কমেছে।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, পর্তুগাল বিদায় নিলেও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর জনপ্রিয়তায় খুব একটা ভাটা পড়েনি। পর্তুগাল কিংবা আল নাসরের ৭ নম্বর জার্সির সারা বছরই একটি স্থায়ী বাজার রয়েছে।

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা বিভিন্ন কনসেপ্ট জার্সির চাহিদাও বাড়ছে। প্রচলিত জাতীয় দলের জার্সির বিক্রি কমলেও এসব নতুন ডিজাইনের জার্সি ব্যবসায়ীদের কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..