✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১১, | ১৩:৪৯:৩০ |ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৭৫৯ জন ইবোলায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে অন্তত ৬০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
মহামারির সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় ইটুরি প্রদেশে। সেখানে বকেয়া বেতন-ভাতা না পাওয়ার প্রতিবাদে স্বাস্থ্যকর্মীসহ প্রাথমিক পর্যায়ের অনেক কর্মী চাকরি ছেড়ে দিচ্ছেন। জাতীয় ও প্রাদেশিক সরকারের কাছে পাঠানো এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বেতন পরিশোধ না হলে ধর্মঘটেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এপিকে (এপি) কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মী জানান, গত ১৫ মে ইবোলার প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে তারা কোনো বেতন বা ঝুঁকি ভাতা পাননি। সীমিত সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করলেও কর্তৃপক্ষ তাদের সঙ্গে অযৌক্তিক আচরণ করছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
ইটুরি প্রদেশের রাজধানী বুনিয়ার মহামারি পর্যবেক্ষণ কমিটির সদস্য ডা. বিয়েনসি কানো বলেন, ইবোলা প্রাদুর্ভাব ঘোষণার পর থেকেই স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদের প্রাপ্য বেতন ও ভাতা পরিশোধের দাবি জানিয়ে আসছেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলমান প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী ইবোলার বুনডিবুগিও স্ট্রেইনের বিরুদ্ধে এখনো কোনো অনুমোদিত ভ্যাকসিন নেই। যদিও এই ধরনটি অন্যান্য ইবোলা স্ট্রেইনের তুলনায় তুলনামূলক কম প্রাণঘাতী, তবু কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা না থাকায় পরিস্থিতি মোকাবিলা আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
তথ্য সূত্র- আলজাজিরা।